1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

টুইটারের শীর্ষে সংবাদ মাধ্যম, সাথে তারকারাও

বেশ কিছু সংবাদ বিষয়ক সংস্থা ২০১০ সালের টুইটারের শীর্ষে জায়গা পেলেও তারকারাও পিছিয়ে নেই৷ গত বছরের টুইটারে জনপ্রিয়তার ধারা বিশ্লেষণ করে এমন কথা জানালো ইলিনয়েসের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল৷

Logo, Microblogging, Dienstes Twitter, Music, Celebrity, Pop, Idol, 2010, টুইটার, সংবাদ, মাধ্যম, তারকা, ২০১০, সংগীত, লেডি, গাগা, টাইমস, পপ, নিউইয়র্ক, বিবা

তাঁরা দেখেছেন যে, মেক্সিকো উপসাগরে তেল ছড়িয়ে পড়া, হাইতির ভূমিকম্প এবং চিলির খনিশ্রমিকদের উদ্ধার এসব ঘটনাই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে টুইটারের পাতায়৷ রাজনীতি ও বিশ্বের চলতি ঘটনার জন্য টুইটারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল এনপিআর সংবাদ, নিউ ইয়র্ক টাইমস, টাইমস ডট কম এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'এর৷

তবে তারকারাও কম যাননি৷ শীর্ষে ছিলেন সংগীত তারকা লেডি গাগা, অভিনেতা মেল গিবসন এবং পপ আইডল জাস্টিন বিবার মতো তারকারাও৷ বেশ দাপটের সাথে বিচরণ ছিল অভিনেতা অ্যাডাম ল্যাম্বার্ট, টেলিভিশনের কমিক কোনান ও'ব্রায়েন এবং সংগীত তারকা রিকি মার্টিনেরও৷

নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ও গবেষক দলের নেতৃত্বদানকারী বিজ্ঞানী অলোক চৌধুরী বলেন, ‘‘রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে টুইটারে রাজত্ব করতে দেখা গেছে কিছু সংবাদ মাধ্যমকে৷ কিন্তু কোন করুণ মানবিক বিষয়ের ক্ষেত্রেই হাজির জনপ্রিয় তারকারা৷ যেমন হাইতির ঘটনায় প্রভাবশালী টুইটকারী ছিলেন শিল্পী অ্যাডাম ল্যাম্বার্ট৷ চিলির খনিশ্রমিকদের উদ্ধারের ঘটনায় দেখা গেছে টেলিভিশন কমিক কোনান ও'ব্রায়েনকে সবচেয়ে প্রভাবশালী টুইটাকারী হিসেবে৷ আর এক্ষেত্রে শিল্পী রিকি মার্টিন ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে৷''

চৌধুরী ও তাঁর গবেষক দল টুইটারের এসব প্রভাবশালীদের খুঁজে বের করেছেন তাঁদের তৈরি ওয়েবসাইট ‘পাল্সঅফদ্যটুইটার.কম' এর মাধ্যমে৷ তাঁদের হিসাবে, গত বছরে করা টুইটগুলোর মধ্যে লেডি গাগা ও বিবার'এর টুইটগুলোর ৭৫ শতাংশই ছিল ইতিবাচক৷ কিন্তু গিবসনের টুইটগুলোর অধিকাংশই ছিল নেতিবাচক৷ বিশেষ করে, গিবসন তাঁর মেয়ে সন্তানের মায়ের উদ্দেশ্যে রাগ করে করা ভয়েসমেইলটি প্রকাশের পর বেশ শিরোনাম হয়েছিলেন৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক