1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘টিকিট কেটেছি, জার্মানিতে যেতে দেবে না কেন?’

আইনকানুন, বিধিনিয়মের ফাঁসে ইউরোপে এসে পদে পদে বাধার সামনে পড়ছেন শরণার্থীরা৷ ডাবলিন চুক্তির কারণে তাঁদের সামনে সীমাহীন ইউরোপে অবাধ চলাচলের পথ বন্ধ৷ রাষ্ট্রজোট হিসেবে ইইউ-র কোনো সার্বিক সমাধানসূত্রও নেই৷

অনেক শরণার্থীর গন্তব্যই জার্মানি৷ সেখানেই সবচেয়ে বেশি শরণার্থী আশ্রয় পাচ্ছেন৷ শুধু সরকার নয়, সাধারণ মানুষও তাঁদের প্রতি সংহতি দেখিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে৷ হাতে গোনা চরম দক্ষিণপন্থিদের তাণ্ডব নিয়ে তাই বেশিরভাগ মানুষই মাথা ঘামাচ্ছে না৷ হাঙ্গেরিতে আটকে পড়া শরণার্থীরা ‘জার্মানি, জার্মানি’ রব তুলছেন৷ এ বিষয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন শেরিং লামা শেরপা৷



মহম্মদ ইসমাইল জার্মানির একটি ট্রেনের গায়ে আরবি ভাষায় লেখা একটি গ্রাফিটির ছবি শেয়ার করেছেন৷ তাতে শরণার্থীদের স্বাগত জানানো হয়েছে৷



শরণার্থী সংকটের মাঝে জার্মানির অনেক মানুষের সংহতির অনেক দৃষ্টান্ত গোটা বিশ্বের নজর কাড়ছে৷ সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন লান্স অ্যান্ডারসন৷


একদিকে জার্মানির সরকার ও মানুষের উদার মনোভাব, অন্যদিকে ব্রিটেনের সরকারের অনড় অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধছে৷ ‘অটো ইংলিশ’ নামের টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘জার্মান সরকার শরণার্থীদের প্রতি যে আচরণ করছেন, তাতে আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত৷ তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েছে...’’



টম লিকিস লিখেছেন, এই মুহূর্তে ব্রিটেনের প্রতি তেমন ভালবাসা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না৷ জার্মানি ব্রিটেনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে৷



ব্রাংকো মিলানোভিচ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, যে নিয়তির এমনই পরিহাস যে জার্মানি ইরাক ও লিবিয়ার উপর হামলার বিরোধিতা করেছিল৷ এখন সে দেশই শরণার্থীদের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করছে৷ অন্যদিকে ফ্রান্স ও ব্রিটেন শুধু পর্যবেক্ষণ করে চলেছে৷ আর অ্যামেরিকা তো অনেক দূরে৷



শরণার্থী সংকটকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্য গভীর বিভাজন আর গোপন কোনো বিষয় নয়৷ সাধারণ শরণার্থী নীতির খোঁজ চললেও সবাই তার সাফল্য চায় না৷ এ বিষয়ে লেখা ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ পত্রিকার প্রতিবেদনটি শেয়ার করেছেন অনেকে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়