1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

টিউনিসিয়ার সীমান্তে এক দল লিবীয় সেনার আত্মসমর্পণ

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহী বাহিনী বৃহস্পতিবার টিউনিসিয়ার সীমান্তে অবস্থিত একটি সামরিক চৌকি দখল করে নিয়েছে৷ ওদিকে সামরিক অভিযান জোরদার করার হুমকি দিয়েছে পশ্চিমের দেশগুলো৷

default

গাদ্দাফি সমর্থিত বাহিনী

কিন্তু তা সত্ত্বেও বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত অবরুদ্ধ শহর মিসরাটার ওপর সরকারি সেনাদের বোমা বর্ষণ বন্ধ থাকেনি৷

বিদ্রোহী পক্ষ, বলা যেতে পারে, টিউনিসিয়ার সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেল৷ টিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা টিএপি জানিয়েছে, একজন জেনারেল সহ লিবিয়ার তেরোজন অফিসার ও সৈনিক সীমান্তে টিউনিসিয়ার সামরিক বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে৷ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর আশ্রয় নিতেই তাদের এই আত্মসমর্পণ বলে মনে করা হচ্ছে৷ পশ্চিমের পার্বত্য এলাকায় যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকায় হাজার হাজার লিবীয় নাগরিক সাম্প্রতিক দিনগুলিতে এসে পৌঁছচ্ছে দক্ষিণ টিউনিসিয়ায় এবং সীমান্ত শহর দেহিবায়৷ একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে খবর দেয়া হয়েছে যে, এই সীমান্তের অদূরে প্রচণ্ড লড়াই চলে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত৷ এই এলাকা তেমন জনবসতিবহুল নয়৷ ফলে এখানকার লড়াই-এর খবর উপকূলবর্তী শহর মিসরাটা আর আজদাবিয়ার ওপর হামলার খবরের মত আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দৃষ্টি কাড়ছে না৷

পশ্চিমের দিক থেকে সামরিক অভিযান আরো জোরদার করার হুমকি সত্ত্বেও বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত মিসরাটা শহরের ওপর গাদ্দাফি অনুগত বাহিনীর গোলাবর্ষণ অব্যাহত থেকেছে৷ দেশের পশ্চিমে লিবিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম এই শহরই বিদ্রোহীদের শেষ শক্ত ঘাঁটি৷ প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে গাদ্দাফির বাহিনী এ শহর অবরোধ করে রেখেছে৷ বহু মানুষ সেখানে হতাহত৷ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে যে আন্তর্জাতিক সামরিক তৎপরতা চলেছে লিবিয়ায়, তার সুফল সম্পর্কে বিদ্রোহীরা হতাশ৷ তারা মনে করছে, বড্ড বেশি সতর্কতার সঙ্গে এই অভিযান চালানো হচ্ছে৷

ফ্রান্স বলছে, তারা ১০ জনের মত সামরিক উপদেষ্টা পাঠাবে৷ ব্রিটেন বলেছে, বিদ্রোহীদের সাংগঠনিক ও যোগাযোগের ক্ষমতা বাড়াতে তারা ১২ জনের মত সামরিক অফিসার পাঠাবে৷ তবে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করার বা প্রশিক্ষণ দেয়ার কোন পরিকল্পনা তাদের নেই৷ এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ লিবিয়ায় পশ্চিমের কোন স্থলসেনা তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তা সাঙ্ঘাতিক ঝুঁকির ব্যাপার হবে এবং তার পরিণাম কী হবে তা জানা নেই৷ তবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই মোটামুটি দীর্ঘ এক লড়াই-এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে৷

প্রতিবেদন: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়