1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

টানা ৭২ ঘণ্টার হরতাল, ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের আন্দোলন আরো তীব্র করতে তৈরি প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট৷ তাই দুই সপ্তাহ টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালের পর, এবার তারা টানা ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে৷

গত দুই সপ্তাহ বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী ১৮ দলীয় জোট দু'দফায় টানা ৬০ ঘণ্টার হরতাল পালন করে৷ এই দু'দফা হারতালে মোট ১৮ জন নিহত হন, আহতও হন অনেকে৷ ঢাকাসহ সারা দেশে হরতালের কারণে এখন ককটেল আর বোমার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ৷ হরতালে জরুরি কাজে ঘরের বাইরে বের হলেও, তাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাফেরা করেন৷

এ অবস্থায় বিএনপি আন্দোলনকে আরো তীব্র করতে চলেছে৷ এবারও আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে হরতালকেই সহজ এবং মোক্ষম হিসেবে বেছে নিচ্ছে তারা৷ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জোটের মহাসচিবদের সঙ্গে বৈঠকের পর, শুক্রবার বিকেলে, আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন৷ রবিবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার এই হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি৷

BANGLADESH-POLITICS-STRIKE Bildunterschrift: Buses are parked at an inter-district bus terminal during a nationwide strike called by the Islamist political party, Bangladesh Jumaat-e-Islami in Dhaka on August 13, 2013. The strike has been called by the party to protest cancellation of its registration which may deny it the chance to contest parliament elections. AFP PHOTO /Munir uz ZAMAN (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images) Erstellt am: 13 Aug 2013

রবিবার থেকে আবারো শুরু হবে হরতাল...

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে গণকারফিউয়ের মতো কর্মসূচি দেয়া হবে৷ তিনি বলেন, একতরফা কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না৷ এছাড়া, কোনো দলীয় বা সর্বদলীয় সরকারের অধীনেও হবে না নির্বাচন৷ নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে৷ আর সে দাবি আদায়ের জন্য হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও, এমনকি গণকারফিউ কর্মসূচিও দেয়া হতে পারে৷

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাফরউল্লাহ বলেছেন, দেশে এখন নির্বাচনি বাতাস বইতে শুরু করেছে৷ জাতি এখন একটি নির্বাচন দেখতে চায়৷ তাই তিনি বিরোধী দলকে হরতাল অবরোধ বাদ দিয়ে আলোচনায় এসে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান৷

বলেন, বিরোধী দল সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যাতে আলোচনা করতে পারে সেজন্যই সংসদ অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে৷

তবে দুই দলের নেতারা যা-ই বলুন না কেন, সাধারণ মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসছে৷ হরতালের কারণে পচনশীল ভোগ্যপণ্যের দাম যাচ্ছে বেড়ে৷ কমে যাচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের আয়৷ ৭২ ঘণ্টা হরতাল ঘোষণার পর, কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আহসান উল্লাহ ডয়চে ভেলেকে জানান, গত দুই সপ্তাহ তিনি ব্যবসা করতে পারেননি৷ এরপর সামনের সপ্তাহে হরতাল হলে তাঁর ব্যবসা লাটে উঠবে৷ নিউ মার্কেট এলাকার দিনমজুর রফিকুল ইসলাম জানান, হরতালে কোনো কাজ থাকে না, ধার করে চলতে হয়৷ কিন্তু এভাবে হরতাল হলে ধার দেয়ার লোকও যে থাকবে না৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন