1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

টাইগার মেট এর তাণ্ডবে দিশেহারা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’

বাংলাদেশের ওয়েব ব্যবস্থায় রীতিমত তাণ্ডব চালাচ্ছে ‘টাইগার মেট’৷ কে বা কারা এই চক্রের পেছনে আছে তা এখনো জানা যায়নি৷ তবে, কমপক্ষে ৯১৯টি ওয়েবসাইটকে আক্রান্ত করেছে টাইগার মেট৷

default

শনিবার সন্ধ্যায় গুগল এর বাংলাদেশ ডোমেইন আক্রান্ত হয় (ফাইল ফটো)

বাংলাদেশ সময় শনিবার সন্ধ্যার দিকে গুগল ডটকম ডটবিডি হঠাৎ বদলে যায়৷ সেখানে প্রদর্শিত হতে থাকে, 'Hacked by TiGER-M@TE', 'owned by TiGER-M@TE'৷ ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডোমেইন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র গুগল ডটকম ডটবিডি সহ কয়েক শত ডোমেইনের গতিপথ বদলে দিয়েছে৷

তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবের এই প্রসঙ্গে বলেন, আক্রান্ত ডোমেইনগুলোর রুট ডিএনএস সার্ভার যেভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত ছিল, সেভাবে করা হয়নি৷ তাছাড়া এগুলো সুরক্ষায় এখনো পুরাতন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে৷

সুমন আহমেদ মনে করেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এর গাফেলতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ ডটবিডি-যুক্ত ডোমেইনগুলো সুরক্ষার দায়িত্ব বিটিসিএল এর উপরই বর্তায়৷

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিটিসিএল কার্যালয়ে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি৷

সাইবারক্রাইম সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট জোনড্যাশএইচ ডটঅর্গ জানাচ্ছে, গত বছরের আগস্ট মাস থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের উপর হামলা চালাতে শুরু করে ‘টাইগার মেট' চক্র৷ এখন পর্যন্ত ৯১৯টি ওয়েবসাইটকে আক্রান্ত করেছে এই চক্র৷ এগুলোর অধিকাংশই ডটবিডি যুক্ত ওয়েবসাইট৷

ইতিমধ্যে অবশ্য টাইগার মেট-এর হানায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক ডোমেইন আগের অবস্থায় ফিরে গেছে৷ লিনাক্স ডটঅর্গ ডটবিডি-র মতো কয়েকটি আক্রান্ত সাইট তদন্তের স্বার্থে বন্ধ রয়েছে৷

বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর আগেও আক্রান্ত হয়েছে৷ সরকারি ওয়েবসাইট ছাড়াও ব়্যাব এর ওয়েবসাইট হ্যাক হয় ২০০৮ সালে৷ ঐ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় আশি লাখ৷ শীঘ্রই এই সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ তবে, ব্যবহারকারী বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়েও সতর্কতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের কর্তাব্যক্তিরা৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন