1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ক্রিকেট

টাইগারদের সিরিজ জয় হলো না

প্রত্যাশার পারদ উপরের দিকেই ছিল৷ প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়, দ্বিতীয় ম্যাচে যদিও রানের পাহাড় গড়েছিল শ্রীলঙ্কা, তবুও জেতার আশা ছিল৷ কিন্তু সেই ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়৷ শেষ ম্যাচে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় হেরে গেল তারা৷

টাইগারদের উদ্ভোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালের ভাগ্য বোধহয় একেবারেই সহায় ছিল না৷ মাঠে নেমেই জীবন পেলেন, কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হলো না, চার রানেই বিদায় নিলেন তিনি৷ তবে তাঁর তুলনায়ও দুর্ভাগা সাব্বির, মুশফিক৷ রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় দু'জনের৷ তাই দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ৷

এমন নয় যে, সেখান থেকেও ম্যাচ বাঁচানো সম্ভব ছিল না৷ তবে শ্রীলঙ্কার বোলারদের মাপা বোলিংয়ে বেশি দূর এগোনো যায়নি৷ সৌম্য সরকার আর সাকিব আল-হাসান জুটি গড়লেও, তা টেকেনি বেশিক্ষণ৷ এরপরও অবশ্য ৭০ বলে ৭৭ রানের জুটি জয়ের স্বপ্ন টিকিয়ে রেখেছিল৷ কিন্তু ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পরই তাড়াহুড়োয় ক্যাচ তুলে দিলেন সাকিব আল-হাসান৷ আর সোম্য ঝড়ে গেলেন তাঁরও আগে, মাত্র ৩৮ রানে৷ শেষের দিকে মেহেদী হাসান মিরাজ খেলেছেন ধৈর্য নিয়ে, করেছেন অর্ধশতক৷ তবে তাতে শুধু পরাজয়ের ব্যবধান কমেছে৷ ফল ২১০ রানে অলআউট বাংলাদেশ৷

অন্যদিকে, শুরুতে ব্যাট করতে নেমে লঙ্কানরা ২৮০ রানের সংগ্রহ গড়ে৷ সেদলের ধানুষ্কা গুনতিলকা এবং উপুল থারাঙ্গার উদ্বোধনী জুটি দলকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে দেয়৷ পরবর্তীতে কুশল মেন্ডিস এবং থিসারা পেরেরার অর্ধশত রানে শ্রীলঙ্কা পৌঁছে যায় বড় লড়াইয়ের মতো স্কোরে৷ অবশ্য কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে এমন স্কোর করার পরও হারার রেকর্ড আছে৷ সেই ১৯৯৮ সালে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ২৮১ রান তাড়া করে ২৮৬ করে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা৷ তাই টাইগারদের জয়ের আশা কোনো অলিক স্বপ্ন ছিল না৷

ওয়ানডে সিরিজে শেষ ম্যাচটি হারায় সিরিজ জয় হলো না বাংলাদেশের৷ তা সত্ত্বেও প্রাপ্তি একেবারে কম নয়৷ কারণ টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও সমতা এনেছে টাইগাররা৷ বিদেশের মাটিতে এটাও কম কিসের? সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ দলে বিশ্বসেরা প্রবীণদের পাশাপাশি যে সম্ভাবনাময় নবীনদের দেখা যাচ্ছে, তাতে এ দলের ভবিষ্যৎ যে উজ্জ্বল, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়