1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ঝড়ের পেছনে ছোটেন যেসব মানুষ

ঝড়বৃষ্টির সময় সাধারণ মানুষ যখন ঘরের মধ্যে বসে থাকেন, তখন সেসব ঝড়ের দিকে ছোটেন একদল জার্মান৷ প্রকৃতির বিরূপ আচরণ কাছে থেকে দেখতে ভালোবাসেন তাঁরা৷ পাশাপাশি করেন জনসেবাও৷

ভিডিও দেখুন 03:10

ঝড়ের কাছে যেতে পছন্দ করেন যাঁরা

বন্ধুদের নিয়ে ধ্বংসাত্মক ঝড়ের পেছনে ছুটতে ভালোবাসেন জার্মান নাগরিক আন্সগার ব্যার্লিং৷ ঝড় খোঁজা তাদের শখ৷ তাই ক্যামেরা, ট্রাইপড আর অনুসন্ধানের যন্ত্রপাতি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা৷

টর্নেডোর পেছনে ছোটা এই মানুষগুলো বছর দশক আগে জার্মানিতে গড়ে তোলেন একটি সংগঠন৷ নাম ‘স্কাইওয়ার্ন৷' ঝড়ের আগাম খবর পেতে তাঁরা নির্ভর করেন রাডারের উপর৷ স্কাইওয়ার্নের সদস্য আন্সগার ব্যার্লিং এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমরা আবহাওয়ার তথ্যের উপর নির্ভর করি৷ বিশেষ করে জার্মান আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য৷ পাশাপাশি রাডার থেকে পাওয়া তথ্যও দেখি৷ এ সব তথ্য পর্যালোচনার করে আমরা জার্মানির ঠিক কোন জায়গায় ঝড় হচ্ছে তা শনাক্ত করি এবং গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাই৷''

প্রকৃতির বিরূপ আচরণ খুব কাছে থেকে উপভোগ করেন স্কাইওয়ার্নের সদস্যরা৷ পাশাপাশি আবহাওয়া দপ্তরকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েও সহায়তা করেন তাঁরা৷ ব্যার্লিং বলেন, ‘‘জার্মান আবহাওয়া দপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থা দূর থেকে ঝড় পর্যবেক্ষণ করে৷ মূলত স্যাটেলাইট, ‘ডাবল-রাডার' থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে তাঁরা ঝড়ের মাত্রা নির্ধারণ করেন৷ আসলে ঘটনাস্থলে কি ঘটছে সেটা তারা বুঝতে পারেন না৷ অন্যদিকে আকাশের দিকে চোখ রাখা আমাদের কাজ৷ আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খুব কাছ থেকে দেখি কি হচ্ছে, ক্ষতির পরিমাণ কেমন৷ এরপর সেসব তথ্য আমরা আবহাওয়া দপ্তরকে জানাই৷''

উল্লেখ্য, জার্মানিতে প্রতি বছর গড়ে ৪০ থেকে ৬০টি টর্নেডো সৃষ্টি হয়৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা কখনো কখনো এক হাজারেও পৌঁছায়৷ স্বেচ্ছাসেবী আবহাওয়া পর্যবেক্ষকরা চেষ্টা করলে এসব ঝড়ে প্রাণহানির সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারেন৷

জার্মানিতে আশি জনের মতো ‘স্কাইওয়ার্নার' সক্রিয় আছেন৷ চরম আবহাওয়ায় ঘোরাঘুরি শখ তাদের৷ এই শখ মানুষের জীবন বাঁচাতেও সহায়ক৷

বিশেষ ঘোষণা: এই সপ্তাহের অন্বেষণ কুইজে অংশ নিতে ক্লিক করুন এখানে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়