জয়ের অভিযোগের জবাব দিচ্ছেন না তারেক জিয়া | বিশ্ব | DW | 18.08.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জয়ের অভিযোগের জবাব দিচ্ছেন না তারেক জিয়া

বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এখন অনেক সোচ্চার৷ অন্যদিকে, ঠিক উল্টো অবস্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান৷

সজীব ওয়াজেদ জয় নানা বিষয় নিয়ে কথা বললেও তারেক রহমান একেবারেই নিরব৷ এমনকি জয়ের কোন অভিযোগের জবাবও দিচ্ছেন না তিনি৷ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘জয় সদ্য রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করছেন এ কারণেই হয়ত তিনি বেশি কথা বলছেন৷ আর তারেক রহমানকে কেন তাঁর কথার জবাব দিতে হবে? বিএনপিতে অনেক নেতাই কথা বলছেন৷ দলের মুখপাত্রও আছেন৷''

Facebook-Profil von Sajeeb Wazed https://www.facebook.com/pages/Sajeeb-Wazed/310576809078749 ***Screenshot darf nur in Zusammenhang mit einer Berichterstattung über die Webseite verwendet werden***

ফেসবুকে বেশ সরব সজীব ওয়াজেদ

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের মতে, ‘‘তারেক রহমান একজন পরিপূর্ণ রাজনীতিবিদ৷ তিনি জয়ের সব কথার জবাব দেয়ার প্রয়োজন মনে করছেন না৷''

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘‘জয় নতুন রাজনীতিতে এসে নিজেকে জাতির সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন৷ তাঁর মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হয়ত ছেলেকে সেই সুযোগ দিচ্ছেন৷ কিন্তু দেশের মানুষ বুঝে গেছেন জয়ের রাজনীতি নিয়ে কোন ধারণাই নেই৷ তাছাড়া তিনি দেশের মানুষের সঙ্গে কখনও মেশেননি৷ ফলে তিনি বুঝতে পারছেন না কি বলা উচিত, আর কাকে নিয়ে কথা বলা উচিত৷''

প্রসঙ্গত, গত ১৫ আগষ্ট শোক দিবসের দিন ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘‘এটি সত্যিই দুঃখজনক যে খালেদা জিয়া প্রতি বছর এইদিনে তার জন্মদিন পালন করতে পছন্দ করে৷ বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিতে তার তালিকাভুক্ত ভিন্ন ভিন্ন জন্মদিন আছে, যার কোনটিই ১৫ই আগস্ট নয়৷ কি ধরনের ব্যক্তি এটি করতে পারে?''

এর আগে তারেক রহমান নিয়ে এক মন্তব্য করতে গিয়ে জয় বলেছেন, ‘‘আমরা লেখাপড়া শিখেছি, দেশের টাকা মেরে আমাদের চলতে হবে না৷ কিন্তু যারা পড়াশোনা শেখেনি তারাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত৷''

জয়ের এসব বক্তব্যের জবাবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘তারেক রহমানকে নিয়ে তিনি যেসব মন্তব্য করছেন তা অনভিপ্রেত৷ কারণ তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির মামলা বর্তমান সরকার প্রমাণ করতে পারেনি৷ আর চিকিত্‍সার জন্য বর্তমানে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন৷ প্রয়োজন হলে সময় মতো তিনি দেশে ফিরে আসবেন৷''

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘জয় সস্তা কথা বলে নিজেকে জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা করছেন৷ এভাবে রাজনীতিতে আসা যায় না, আর আসা গেলেও দেশের মানুষ তা ভালোভাবে নেবে না৷''

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘তারেক রহমান তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আজ এ পর্যায়ে এসেছে৷ তাঁর সমকক্ষ হতে হলে অবশ্যই রাজনীতি করে আসতে হবে৷''

আগামী নির্বাচনে মানুষ বিএনপিকে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলেই সরকার বুঝতে পারবে কাদের জনপ্রিয়তা কত৷'' নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়