1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জোর পূর্বক ‘খতনা’ থেকে বাঁচতে পালাচ্ছেন পুরুষরা

কেনিয়ার বুকুসু সম্প্রদায়ের কাছে ‘খতনার’ মৌসুম মানে উৎসবের সময়৷ গান, খাবার আর বিয়ারের মাধ্যমে মৌসুমটা উদযাপন করেন তারা৷ তবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানরত অন্য সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের জন্য এটা আতঙ্কের সময়৷

আগস্টে খতনার মৌসুম শুরুর পর এখন পর্যন্ত অন্য সম্প্রদায়ের ১২ পুরুষকে ধরে জোর করে খতনা করিয়ে দিয়েছেন বুকুসুরা৷ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই তথ্য৷ জোর পূর্বক এমন খতনা থেকে বাঁচতে অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন কিংবা পুলিশের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন৷

শুধু খতনা নয়, উদ্বেগের আরো কারণ আছে৷ বুকুসু সম্প্রদায় খতনায় ব্যবহার করেন সনাতন পদ্ধতি৷ অর্থাৎ কোনো রকম ব্যথানাশক ব্যবহার না করে ছুরি দিয়ে কেটে নেয়া হয় পুরুষাঙ্গের সামনের অংশের উপরকার চামড়া৷ দিন কয়েক আগে এই কাজ করতে গিয়ে এক খতনাকারক ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরের পুরুষাঙ্গই কেটে ফেলেছেন৷ স্থানীয় এক পত্রিকায় এই খবর প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে আতঙ্ক আরো বেড়ে গেছে৷

কেনিয়ার মাওস ব্রিজ শহরে অবস্থানরত তুরকানা সম্প্রদায়ের পুরুষরা মূলত জোর পূর্বক খতনার শিকার হচ্ছেন৷ বুকুস সম্প্রদায়ের মানুষরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খতনা করা হয়নি এমন পুরুষদের খুঁজে বের করছে এবং তাদের খতনা করে দিচ্ছেন৷

তুরকানা সম্প্রদায়ের পুরুষদের যারা ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে পারছেন না, তারা এমন অবস্থা এড়াতে রাতে খেতে ঘুমাচ্ছেন৷ তবে এভাবে চলতে থাকলে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা৷

এদিকে পুলিশ বিষয়টি জানলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি৷ তবে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ওকুমু জানিয়েছেন, জোর পূর্বক খতনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে৷ স্থানীয় বুকুসু নেতা ডাব্লিউ ডাব্লিউ ওয়ালিআওলা জানিয়েছেন, খতনা শরীরের জন্য উপকারী৷ আর সেটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত৷ এইচআইভি সংক্রমণ কমাতেও এটা সহায়ক, জানান তিনি৷

এআই / এসবি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন