1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জুয়ার ওপর থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ চলে গেল

জুয়া বা বাজি৷ জার্মানিতে এতদিন সরকারই নিয়ন্ত্রণ করতো এগুলো৷ এবং বেশ টাকা পেত এ থেকে৷ কিন্তু এবার তাদের সেই একচ্ছত্র আধিপত্য চলে যাচ্ছে৷

default

ফাইল ফটো

অনেকদিন ধরেই ইউরোপের বেসরকারি জুয়া কোম্পানিগুলো চাইছিল জার্মানির জুয়ার বাজার ধরতে৷ কিন্তু শুধুমাত্র সরকারের হাতে জুয়া নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা থাকায় তারা সেটা করতে পারছিলনা৷ তাই মামলা ঠুকে দেয় ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালতে৷ কিন্তু সবাই ভেবেছিলেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশে যেটা হয়েছে এবারও তাই হবে৷ অর্থাৎ রায় যাবে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর বিপক্ষে৷ কিন্তু না, হলো এর বিপরীত৷

এর ফলে লাভবান হবে ব্রিটেন, জিব্রাল্টার ও মাল্টায় নিবন্ধিত থাকা জুয়ার কোম্পানিগুলো৷ তবে জার্মানিতে ব্যবসা চালু করতে এখনো তাদের অপেক্ষা করতে হবে জার্মানির আদালত কী বলে সেটা ওপর৷

ইউরোপীয় আদালতের দেয়া এই রায়ের ফলে জার্মানির বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের বেশ লাভ হবে বলে জানিয়েছেন এক বিশেষজ্ঞ৷ তাঁর নাম মাক্স স্টাল, যিনি খেলা সম্পর্কিত একটি বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন৷ তিনি বলছেন, এর ফলে জুয়ার কোম্পানিগুলো বায়ার্নের খেলোয়াড়দের জার্সিতে তাদের কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিতে পারবে৷ যেটা থেকে মোটা অংকের অর্থ আয় করতে পারবে ক্লাবটি৷

Bayern München Van Gaal Training Flash-Galerie

এই রায়ের ফলে জার্মানির বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের বেশ লাভ হবে

বায়ার্ন মিউনিখ ক্লাবের প্রধান বেকেনবাউয়ারের দেয়া আগের এক মন্তব্য থেকেই প্রমাণ পাওয়া যায় টাকার অংকে লাভের পরিমাণটা কত হতে পারে৷ তিনি বলেছিলেন, সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে প্রতি বছর তাঁর ক্লাব জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর ব্যবসা হারাচ্ছে৷

স্টাল বলছেন, জুয়া কোম্পানিগুলো প্রতি বছর ফ্রান্সের বিভিন্ন খেলায় প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করে থাকে৷

কিন্তু আদালতের দেয়া এমন রায়ের কারণে শঙ্কাও দেখা দিয়েছে৷ কারণ সরকারীভাবে জুয়া নিয়ন্ত্রণ করার কারণে সেখানে থেকে প্রতি বছর সরকার বেশ অর্থ পেত৷ যেটা খেলাধুলার উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কাজে ব্যয় করা হত৷ এছাড়া বিভিন্ন চ্যারিটিতেও দেয়া হত এই অর্থ৷ কিন্তু এই রায়ের ফলে অর্থ আসাটা অনিশ্চিত হয়ে পড়লে সেগুলোর কী হবে সেটা নিয়েই এখন অনেকে চিন্তিত৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়