1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

জীবন বাঁচানোর একমাত্র উপায় যখন ‘হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট’

সামান্য ঠান্ডা লাগা থেকে যার শুরু, তা যদি ভাইরাল ইনফেকশন হয়ে রোগীর হার্টকে বড় করে দেয়, তাহলে জীবনসংশয় দেখা দিতে পারে৷ একমাত্র উপায় হলো ‘হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট'৷

হার্টের রোগী মার্কুসের একটি নতুন হৃদযন্ত্রের প্রয়োজন৷ কবে তা পাওয়া যাবে, তার ঠিক নেই৷ অথচ এই প্রতিস্থাপন ছাড়া মার্কুস হয়ত বড়জোর আর ছয় মাস বাঁচবেন৷ মার্কুস বলেন ,

‘‘ভয় তো থাকবেই৷ আমার নিজের হার্টটা কেটে বের করে নেবে৷ ভয় পাবারই কথা৷''

কার্ডিয়াক সার্জন ড. মার্কুস বার্টেন এক্সরে ছবিতে দেখালেন, ‘‘দেখছেন, হৃদযন্ত্রটা কিভাবে গোটা বুকের খাঁচাটা ভরে রেখেছে? এটা হলো হার্টের বাঁ দিক, কিভাবে ফুলে রয়েছে৷'' ডক্টর বার্টেন আর ওষুধ দিয়ে তাঁর তরুণ রোগীকে বাঁচাতে পারবেন না৷ ঠান্ডা লাগা থেকে শুরু; তারপর ভাইরাস ইনফেকশনের ফলে ২৭ বছর বয়সি রোগীর হার্ট বেড়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মার্কুসের জীবনসংশয়৷ মার্কুসের একমাত্র আশা হলো, অন্য কোনো মানুষ মারা যাওয়ার ফলে তিনি যদি তাঁর সুস্থ হৃদযন্ত্রটি পান৷

মার্কুস বলেন, ‘‘হয়ত সেই পরিবারের মানুষজন এটা ভেবে সান্ত্বনা পাবেন যে, তাঁদের সন্তান অথবা তিনি যেই হোন না কেন, তাঁর একটি অংশ এখনও বেঁচে রয়েছে৷ তিনি তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়েই ভালো কিছু একটা করেছেন৷''

মার্কুসের ডাক্তারের কাছেও পরিস্থিতিটা সহজ নয়৷ ড. বার্টেন শোনালেন, ‘‘রোগী আর তার পরিবারবর্গের কাছ থেকে আমি বার বার ঐ একই প্রশ্ন শুনি: আমার স্ত্রী, কিংবা আমার স্বামী তাঁর নতুন হার্ট নিয়ে আমাকে আগের মতোই ভালোবাসবেন? শুনলে বোকা বোকা লাগে, কিন্তু প্রশ্নটা আন্তরিক, কেননা, হার্ট বস্তুটা যে কী, তা ঐ প্রশ্ন থেকেই বোঝা যায়৷ মানুষ কত কথাই ভাবে আর এখানে যে পেশেন্টরা মাসের পর মাস একটা নতুন হার্টের জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের মানসিকভাবে সঙ্গ দেওয়াটাও আমাদের একটা বড় কাজ৷ কাজেই আমরা সবসময় একজন মনস্তত্ত্ববিদকে হাতের কাছে রাখি৷ দরকার হলেই খবর দিই৷''

Herzpumpe

প্রতিস্থাপন ঠিক সময়ে ঘটাটা বিশেষভাবে জরুরি

এলো সেই টেলিফোন: লাইপজিগের জন্য একটা হার্ট পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু সেটা মার্কুসের জন্য নয়৷ মৃতের বয়স, উচ্চতা, ওজন, ব্লাড গ্রুপ, সবই মিলছে অন্য এক রোগীর সঙ্গে৷ ওপেন হার্ট অপারেশন হামেশাই হয়ে থাকে লাইপসিগের এই হাসপাতালে৷ কিন্তু হার্ট ট্র্যান্সপ্ল্যান্টেশন বা হৃদযন্ত্রের প্রতিস্থাপন আজও অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশন৷ রোগগ্রস্ত হৃদযন্ত্রকে নতুন প্রক্রিয়ায় আরো শক্ত ও জোরদার করার জন্য শল্যচিকিৎসক আর গবেষকরা প্রাণপণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন৷

প্রতিস্থাপন ঠিক সময়ে ঘটাটা বিশেষভাবে জরুরি৷ মৃতের শরীর থেকে নেওয়া হৃদযন্ত্রটিকে মাত্র ছ'ঘণ্টা বাঁচিয়ে রাখা যাবে৷ সব কিছু ঠিকমতো হলেও, ঝুঁকি থেকে যায়৷ পেশেন্টের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অচেনা হৃদযন্ত্রকে মেনে নেবে তো? কপাল মন্দ হলে, পেশেন্টের শরীর নতুন হৃদযন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করবে৷ তা সত্ত্বেও, হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছাড়া আর কোনো পন্থা নেই...৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়