1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জি-সেভেন সম্মেলনে ইউরোপীয় আধিপত্য

জার্মানিতে আয়োজিত জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে জোরালো সদিচ্ছা দেখিয়েছে বিশ্বের সাতটি শিল্পোন্নত দেশ৷ ইউরোপের অন্যান্য সংকটও এবার বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা ক্রিস্টিয়ান ট্রিপের৷

জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলার ক্ষেত্রে শিল্পোন্নত দেশগুলির গোষ্ঠী জি-সেভেন এক যৌথ অবস্থান নিয়েছে৷ অতীতে এক্ষেত্রে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার প্রতি জোরালো সমর্থন দেখিয়েছে এই দেশগুলি৷ তবে চলতি শতাব্দীতেই পুরোপুরি কার্বন-বর্জিত জ্বালানি নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সত্যি উল্লেখযোগ্য৷ চলতি বছরের শেষে প্যারিসে যখন বিশ্ব জলবায়ু চুক্তি চূড়ান্ত হবে, তখন এই সাতটি গণতান্ত্রিক শিল্পোন্নত দেশের সদিচ্ছার জোর দেখতে পাওয়া যাবে৷

এগুলি সবই প্রতিশ্রুতি, যা পালন করতে হবে৷ রাজনৈতিক স্তরে এই পরিবর্তন সত্যি কার্যকর হবে কিনা, তা আমরা শীঘ্রই জানতে পারবো৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও বলতে হয়, ফলাফল দেখা যাচ্ছে৷ পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রেও এই সাতটি দেশ রাশিয়া ও প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি সে দেশের আগ্রাসী নীতির বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে৷ এর ফলে শুধু ইউরোপীয় ইউনিয়ন নয়, অন্য দেশগুলির উপরেও রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ জুন মাসের পরেও বাড়ানোর জন্য চাপ বাড়বে৷

Trippe Christian Kommentarbild App

ক্রিস্টিয়ান ট্রিপে, ডয়চে ভেলে

‘ওল্ড কন্টিনেন্ট' হিসেবে ইউরোপই অ্যাজেন্ডা স্থির করছে

অন্য কোনো জি-সেভেন সম্মেলনে ইউরোপের এমন আধিপত্য দেখা গেছে বলে মনে পড়ে না৷ অংশগ্রহণকারীদের তালিকার দিকে তাকালেই ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গির জোরালো প্রতিফলন বোঝা যায়৷ ৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৬ জনই ছিলেন হয় কোনো ইইউ রাষ্ট্র অথবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি৷ এক্ষেত্রে জি-সেভেন গোষ্ঠীর সংস্কারের প্রশ্নও উঠতে পারে৷ অনেক বিষয়েরই শক্তিশালী ইউরোপীয় প্রেক্ষাপট ছিল – যেমন ইউরো এলাকার অমীমাংসিত ঋণ সংকট, গ্রিসকে ঘিরে সংকটের চূড়ান্ত ফয়সালা, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের সংকট, মধ্যপ্রাচ্যে রাষ্ট্রের ভাঙন ও আফ্রিকায় গৃহযুদ্ধের ফলে ভূমধ্যসাগরে শরণার্থীর ঢল ইত্যাদি৷ শরণার্থী সংকটের বিষয়টি সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ক্যানাডা ও জাপানেরও বিশেষ আগ্রহ রয়েছে৷ তবে ইউরোপের শরণার্থী ও অভিবাসন নীতির সঙ্গে তাদের নিজস্ব নীতির তেমন মিল নেই৷

অর্থাৎ ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এবারের জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলন বেশ সফল বলা চলে৷ তবে এমন সম্মেলনকে ঘিরে এত বিশাল আয়োজন ও আধিক্য কমিয়ে ব্যয় সংকোচ করা যায়, সেই বার্তা অংশগ্রহণকারীদের কাছে পৌঁছেছে৷ ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা বা অলিম্পিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রেও সংবাদ মাধ্যমে এই ন্যায্য বিতর্ক বার বার ওঠে৷ জি-সেভেন এই ‘ডাউন সাইজিং' বা ব্যয়সংকোচের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে৷ বিশেষ করে যারা কিছু ঘটার আগেই সবজান্তা মনোভাব দেখায়, তাদের মনে বেশ বিস্ময় জাগবে বৈকি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন