1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জি-টোয়েন্টি

জি-টোয়েন্টিতে সহিংসতা: হামবুর্গের মেয়রের পদত্যাগ দাবি

জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের সময় হামবুর্গের কিছু এলাকায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ভাঙচুর এবং গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ মেয়রের পদত্যাগের দাবি উঠেছে, সমালোচনা হচ্ছে হামবুর্গে এই সম্মেলন করার সিদ্ধান্তেরও৷

জার্মানির ক্ষমতাসীন জোট সরকারের বড় শরিক সিডিইউ-র কয়েকজন রাজনীতিবিদ হামবুর্গের মেয়র ওলফ শোলৎসের পদত্যাগ দাবি করেছেন৷ তবে অন্য শরিক দলের রাজনীতিবিদ শোলৎস সেই দাবি প্রত্যাখান করে বলেছেন যে ম্যার্কেলের দল সিডিইউ তাঁর পদত্যাগ আশা করার আগে দ্বিতীয়বার ভাবা উচিত৷ জি-টোয়েন্টি সম্মেলনকে ঘিরে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার অবধি হামবুর্গের কিছু এলাকায় সহিংস প্রতিবাদের ঘটনা ঘটে৷ মূলত পুঁজিবাদবিরোধী এবং ট্রাম্প, পুটিন, এর্দোয়ানের মতো রাষ্ট্রনায়কদের কট্টর সমালোচক এই উগ্র প্রতিবাদকারীদের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানো এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় খানিকটা বিপাকে পড়েছেন মেয়র৷ তবে রবিবার রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তাঁকে পদত্যাগ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি সরাসরি না বলে দেন৷

মেয়র জানান, হামবুর্গ শহরে সম্মেলনের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের রাখতে ২০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়৷ এর বেশি পুলিশ জার্মানি দিতে পারেনি৷ সম্মেলনের সময় সংঘর্ষে যেসব পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন, জানমাল রক্ষায় তাদের ‘নায়কোচিত' আচরণের প্রশংসা করেছেন মেয়র৷ পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জি-টোয়েন্টি সম্মেলন চলাকালে প্রায় পাঁচশো পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন৷ তবে এসময় কতজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি৷

তবে প্রতিবাদকারীদের রুখতে পুলিশ বাড়াবাড়ি করেছে এরকম দাবি যারা তুলেছেন, তাদের সেই দাবিও প্রত্যাখ্যান করেছেন শোলৎস৷ তিনি বরং মনে করেন, ভাঙচুরে অংশ নেয়াদের দীর্ঘমেয়াদে হাজতবাসের শাস্তি দেয়া প্রয়োজন৷ আর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগে অংশ নেয়া প্রতিবাদকারীরা সংখ্যায় কম ছিল এবং মূলত বিদেশ থেকে আসা বলেও দাবি করেছেন জার্মানির কয়েকজন রাজনীতিবিদ৷  

এদিকে, হামবুর্গের মতো বহুজাতিক নব্যউদারপন্থিদের জোটের প্রতি সংশয়বাদী বলে পরিচিত এবং পুলিশের শক্ত উপস্থিতির বিরোধী একটি শহরকে এই সম্মেলনের জন্য বেছে নেয়ায় ম্যার্কেলের সমালোচনা করেছেন কোন কোন জার্মান৷ পাশাপাশি সহিংস প্রতিবাদকারীদের রুখতে জলকামান, প্যাপার স্প্রে এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার ছাড়াও পুলিশ আরো কোনো উদ্যোগ নিতে পারতো কিনা সে বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে৷ তবে জি-টোয়েন্টি সম্মেলন চলাকালে প্রতিবাদ, বিক্ষোভে কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, যা আশ্বস্ত করেছে জার্মানদের৷

এআই/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়