1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

জিতল মিলান, বায়ার্নের জালে দু দুটি গোল

হেরে গেল বায়ার্ন মিউনিখ৷ চ্যাম্প লিগের ফাইনালে মিলানের মিলিতোই হয়ে উঠলেন সকলের নয়নের মণি৷ দুটি গোলই তাঁর কৃতিত্ব৷

default

শিরোপা জয়ের পর উৎফুল্ল ইন্টার মিলান দল

মিলিতোর জয়জয়কার

স্বদেশীয় লিগ এবং কাপ জয়ের পর এবার ইউরোপীয় ফুটবল জগতের শীর্ষ মর্যাদাটিও অর্জন করল ইন্টার মিলান৷ ইন্টার মিলানের বিজয়ের ক্ষেত্রে মূল কৃতিত্ব দিয়েগো মিলিতোর৷ আর্জেন্টিনীয় এই স্ট্রাইকার বিরতির আগে এবং পরে দু’টি গোল করে জয় নিশ্চিত করেন ইন্টার মিলানের৷ প্রথমটি ৩৫ মিনিটে আর দ্বিতীয় গোলটি করেন খেলার ৭০ মিনিটে৷ ফলে শনিবার ম্যান অব দ্য ম্যাচের পদকটিও পেলেন মিলিতো৷ আবেগ উচ্ছসিত মিলিতো বলেন, ‘‘আমি কেমন অনুভব করছি, তা ব্যাখ্যা করতে পারবো না৷ এটা এমন একটি জয়, যা আগে কখনই আমি দেখিনি৷ এটা ক্লাবের জন্য বড় পাওয়া৷ একক রোমাঞ্চকর অনুভূতি৷ আমি খুবই খুশি৷ আমি জোর লড়াই চালিয়ে গিয়েছি৷ সবসময় চেষ্টা করেছি দলকে সর্বোচ্চ দেওয়ার৷’’ বায়ার্ন মিউনিখের পক্ষে গোল শোধ করে সমতা আনার প্রচেষ্টায় বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন থমাস ম্যুলার এবং আরিয়েন রবেন৷

এই শিরোপা জয়ের গুরুত্ব

Champions League Finale 2010 Bayern München gegen Inter Mailand Fans in Mailand Flash-Galerie

মিলানের দোমো স্কয়ারে ইন্টার মিলান ভক্তদের উল্লাস

শনিবার মাদ্রিদের মাঠের এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষ এই শিরোপার জন্য দীর্ঘ ৪৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল এই ইটালীয় দলের৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে ইন্টার মিলানের এটি তৃতীয় শিরোপা জয়৷ এর আগে ১৯৬৪ এবং ৬৫ সালে যথাক্রমে রেয়াল মাদ্রিদ এবং বেনফিকাকে হারিয়ে টানা দু’বার শিরোপা ঘরে এনেছিল ইন্টার মিলান৷ এদিকে, জার্মান দল বায়ার্ন মিউনিখের ঝুলিতে রয়েছে চারবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের ইতিহাস৷ ২০০১ সালে ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ছিনিয়ে এনেছিল বায়ার্ন মিউনিখ৷ তবে এবারের ফাইনালে শুরুতে বেশ চাপ সৃষ্টি করলেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য হার মানতে হলো ইন্টার মিলানের কাছে৷ বায়ার্ন প্রেসিডেন্ট ফ্রান্স বেকেনবাউয়ার স্বীকার করলেন, ‘‘৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরেই ইন্টার বেশ ভালো খেলছিল৷ এই জয় তাদের প্রাপ্য ছিল৷’’

কোচ মোরিনহোর সাফল্য

শনিবারের বিজয়ের ফলে ইন্টার মিলান কোচ জোসে মোরিনহোর নাম সংযুক্ত হলো আর্নস্ট হ্যাপেল আর ওটমার হিৎসফেল্ডের পাশেই৷ এঁদের সবার ঝুলিতে রয়েছে ভিন্ন দু’টি দলকে ইউরোপীয় কাপ এনে দেওয়ার কৃতিত্ব৷ ২০০৪ সালে পোর্টোকেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা এনে দিয়েছিলেন মোরিনহো৷ তাই এই বিজয়কে মোরিনহোর জন্যও একটি বিশাল অর্জন হিসেবে দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়