1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘জিএসপি ফিরে পেতে আরো কাজ করতে হবে'

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি ফিরে পাওয়া সহজ নয়৷ কারণ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে শ্রমিক নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশের বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চায়৷ বাংলাদেশ সেসব শর্ত পূরণের চেষ্টা করছে৷

সাভারের রান প্লাজা ধসে ১,৩৪২ জন পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর পর গত ২৮শে জুন বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ তবে শুধু রানা প্লাজা নয়, এর আগে তাজরীন ফ্যাশানসসহ আরো কয়েকটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ড এবং দুর্ঘনায় শ্রমিকদের মৃত্যু বাংলাদেশের পোশাক শিল্প সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি করে৷

তবে জিএসপি স্থগিতের পর থেকে শর্ত পূরণের জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ৷ কাজ করছে শ্রমিক নিরাপত্তা এবং শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশ উন্নয়নের জন্যও, জানিয়েছেন বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মিকাইল শিপার৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের ৩০টি বিশেষজ্ঞ টিম দেশের ১,৭৫০টি পোশাক কারখানার ভবনসহ সার্বিক নিরাপত্তার দিক যাচাইয়ের কাজ শুরু করবে৷ তিনি জানান, আরো অনেক কাজ দৃশ্যমান হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় লাগবে৷ তবে এরই মধ্যে শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে৷

Bangladesch Näherinnen bei der Arbeit

বাংলাদেশকে কাজের পরিবেশ, শ্রমিক নিরাপত্তা এবং শ্রমিক অধিকারে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে হবে

বাংলাদেশের এসব তত্‍পরতা সত্ত্বেও মার্কিন মনোভাব তেমন বদলায়নি৷ একদিন আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মোজেনা পোশাক শিল্পের মালিকদের এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বাংলাদেশের শ্রমিকদের রক্তভেজা পোশাক কিনবে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ তিনি বলেন, রানা প্লাজাসহ সাম্প্রতিক সময়ে বড় দু'টি দুর্ঘটনায় এক হাজারেরও বেশি পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছে৷ তাঁর মতে, লোভ, দুর্নীতি এবং অজ্ঞতার কারণেই এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে৷

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র সহ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, পোশাক কারখানার মালিকরা ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কাজ করেছেন শ্রমিক নিরাপত্তা এবং কর্ম পরিবেশ উন্নয়নে৷৷ এরই মধ্যে ট্রেউ ইউনিয়ন আইন হয়েছে৷

Bangladesch Überlebende nach 17 Tagen gerettet

গত ২৮শে জুন বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

শ্রমিদের বেতন বাড়াতে নতুন মজুরি বোর্ডও গঠন করা হয়েছে৷ তবে তিনি স্বীকার করেন যে, কারখানার পরিবেশ এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে এখনও তারা সন্তোষজনক মান অর্জন করতে পারেননি৷ তিনি বলেন, বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল কারখানা ভবন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেয়ার পরই তারা শ্রমিক নিরাপত্তা উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন৷

আর সিপিডি-র অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে জন্য বাংলাদেশকে তৈরি পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে কাজের পরিবেশ, শ্রমিক নিরাপত্তা এবং শ্রমিক অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে হবে৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, নিজেরা তৃপ্ত হলে হবে না৷ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্তুষ্ট করতে হবে৷ আর এখানে ফাঁকির কোনো সুযোগ নেই৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়