1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মান সংসদে পতিতাবৃত্তি বিষয়ক আইন নিয়ে বিতর্ক

জোট সরকারে বিষয়টি নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা চলেছে৷ সামাজিক গণতন্ত্রী পরিবার মন্ত্রী মানুয়েলা শোয়েজিগ এবার জার্মানিতে যৌনকর্মীদের ‘অমানবিক পরিস্থিতির' অন্ত ঘটানোর ডাক দিলেন৷

দোসরা জুন ছিল আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস৷ সেই দিনেই জার্মান সংসদ পরিকল্পিত প্রস্তাবিত পতিতাবৃত্তি আইনটি নিয়ে প্রথমবারের মতো আলোচনা করেছে৷ জার্মানিতে ২০০১ সালে গণিকাবৃত্তিকে বৈধ করা হয়৷ তখনকার চ্যান্সেলর গেরহার্ড শ্রোয়েডার তখন গণিকাবৃত্তিকে একটি ‘পরিষেবা' বলে ঘোষণা করেছিলেন৷ কিন্তু তখন থেকে যে হারে মহিলাদের অংশত ভুয়ো আশা ও প্রলোভন দেখিয়ে পূর্ব ইউরোপ বা আফ্রিকা থেকে জার্মানিতে নিয়ে এসে শোয়েজিগ-উল্লেখিত ‘অমানবিক পরিস্থিতিতে' জার্মানির বিভিন্ন রেজিস্ট্রিকৃত ও অ-রেজিস্ট্রিকৃত গণিকালয়গুলিতে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে ও হচ্ছে, তাতে সরকারের যে কিছু একটা করা উচিৎ, সেটা সকলেই উপলব্ধি করতে পারছিলেন৷

কিন্তু সেটা যে কি,তা নিয়ে দৃশ্যত এখনও মতানৈক্য আছে৷ গণিকাদের বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন অর্থাৎ নাম লেখাতে বাধ্য করার অর্থ, তাদের গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ করা৷ তবুও সরকারপক্ষ এটাকে অন্যায় মনে করছেন না, এমনকি গণিকাদের সম্মতি নিয়ে রেজিস্ট্রেশনের কথাও ভাবা হচ্ছে৷ সঙ্গে থাকছে অন্তঃসত্ত্বা গণিকাদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা, অথবা সাধারণভাবে গণিকাদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা৷ এ সব নিয়েই আলোচনা হচ্ছে৷

Deutschland Manuela Schwesig Bundesfamilienministerin

'পতিতালয়গুলির জন্য সরকারি লাইসেন্সের কথা ভাবা হচ্ছে' - জার্মানির পরিবার মন্ত্রী মানুয়েলা শোয়েজিগ

অন্যদিকে কিছু বিধিনিষেধেরও প্রয়োজন, কেননা, জার্মানির পরিবার মন্ত্রী বলেছেন, ‘‘জার্মানিতে একটা আলুভাজার দোকান খোলা যত কঠিন, একটি বেশ্যালয় খোলা তার চেয়ে সহজ৷'' তাই পতিতালয়গুলির জন্য সরকারি লাইসেন্সের কথা ভাবা হচ্ছে৷

এছাড়া পতিতালয়গুলো যে টেলিফোন কোম্পানির মতো ‘ফ্ল্যাট রেট' চালু করেছে, সেটাও নিষিদ্ধ করার কথা ভাবা হচ্ছে৷ আর থাকছে পতিতার গ্রাহকদের জন্য কন্ডোম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা৷ জোর করে যাদের পতিতাবৃত্তিতে আসতে বাধ্য করা হয়েছে, জেনেশুনে তাদের কাছে যাওয়া মানবপাচার সংক্রান্ত আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে৷

দুই বিরোধী দল বামদল ও সবুজদের মতে কিন্তু এই নতুন আইনের ফলে শুধু গণিকাদের উপর চাপ ও কড়াকড়িই বাড়বে, কিন্তু তাঁদের যারা শোষণ করছে সেইসব গণিকালয়ের মালিক ও দালালদের কোনো অসুবিধা হবে না৷ শুধু আরো কিছু অসহায় তরুণী আরো আইনবহির্ভূত, আরো অ-সুরক্ষিত, আরো অসহায় হয়ে পড়বে বলে দল দুটির আশঙ্কা৷

এসি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন