1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জার্মান সংবাদ-মাধ্যমে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে ভারত-পাকিস্তানের মোকাবিলা জার্মান সংবাদ মাধ্যমের বিশেষ নজর কেড়েছে৷

default

সেমিফাইনালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী গিলানি এবং সিং, পিছনে শচিন তেন্ডুলকর

দৈনিক ‘নয়েস ডয়েচলান্ড' ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের গুরুত্ব তুলে ধরেছে৷ লেখকের মতে, খেলার মাঠে যাই হোক না কেন, এই ‘ক্রিকেট কূটনীতি' অবশ্যই সফল হয়েছে৷ ছাব্বিশ-এগারোর মুম্বই সন্ত্রাসী হামলার পর দুই দেশের সম্পর্কের যে অবনতি ঘটেছিল, একটি ক্রিকেট ম্যাচ তার অনেকটাই যেন কাটিয়ে তুললো৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বলেছেন, ‘‘সবরকম মতপার্থক্য সত্ত্বেও তা কাটিয়ে তোলার পথ আমাদের খুঁজতে হবে৷'' ক্রিকেট ম্যাচ উপলক্ষ্যে দুই নেতার আলোচনার ঠিক আগে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে যেসব বোঝাপড়া হয়েছে, তাও অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করে ‘নয়েস ডয়েচলান্ড'৷

‘ক্রিকেট মাঠে নতুন সূচনা' শীর্ষক প্রতিবেদনের শুরুতেই দৈনিক ‘ফ্রাঙ্কফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং' মনে করিয়ে দিয়েছে, যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ দেখেছে৷ মাঠে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছাড়া কোনো স্পষ্ট ফলাফল দেখা না গেলেও প্রায় দুই বছর পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন উষ্ণতার গুরুত্বও কম নয়৷ কেউ বলছে, ওয়াশিংটনের চাপেই এটা সম্ভব হয়েছে৷ কারো মতে, দুই প্রধানমন্ত্রীই যে যার নিজের দেশে অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে বেশ বেকায়দায় পড়েছেন৷ ফলে পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে সাফল্য হয়তো সেই ব্যর্থতাকে কিছুটা হলেও ঢেকে দিতে পারে৷ পাকিস্তানের সংকট প্রায় স্থায়ী রূপ ধারণ করেছে৷ সেতুলনায় ভারতের স্থিতিশীলতাকে আদর্শ উদাহরণ হিসেবে দেখা গেলেও একাধিক সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারির জের ধরে মনমোহন সিং'এর সরকার বেশ সংকটে পড়েছে৷ তবে সেই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ফায়দা তোলার ক্ষমতা বিরোধী বিজেপি দলের নেই বলে সিং আপাতত রক্ষা পেতে পারেন, মন্তব্য করেছে ‘ফ্রাঙ্কফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং'৷

ভারতের ক্রিকেট অনুরাগীদের উন্মাদনা কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, তার একটা উদাহরণ দিয়েছে দৈনিক ‘টাগেসস্পিগেল'৷ ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনালের টিকিট পেতে একজন ফ্যান মরিয়া হয়ে নিজের কিডনি দিতে চেয়ে ইউটিউবে আবেদন জানিয়েছে৷ খেলার দিন গোটা দেশে অলিখিত এক জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল বলে মনে হচ্ছিল৷ সংবাদ মাধ্যমের একাংশ একে ‘শতাব্দীর সেরা ম্যাচ' হিসেবে তুলে ধরেছে৷ এমন আরও ‘অতিরঞ্জিত' বিশেষণের উল্লেখ করেছে ‘টাগেসস্পিগেল'৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন