1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত

জার্মানি সফরে এসেছিলেন জন কেরি৷ তাঁর এ সফরের আলোচ্যসূচিতে আঙ্গেলা ম্যার্কেল-এর ফোনে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের আড়ি পাতাসহ এনএসএ-কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গটিরও থাকার কথা৷ কিন্তু বিষয়টি কোনো গুরুত্বই পায়নি৷

বুধবার জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, জন কেরির সঙ্গে বৈঠকে যেসব বিষয় আলোচিত হয়েছে বলে জানান, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের আড়ি পাতার বিষয়টির উল্লেখ নেই৷ ম্যার্কেল বলেন, ‘‘দু দেশ এখন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে – এটা আনন্দের৷ (ম্যার্কেল এবং কেরি) দুজনে একসঙ্গে যেটুকু সময় কাটাবো সে সময়টা (ব্যস্ততায়) ঠাসা থাকবে৷'' ম্যার্কেল জানান, দু দেশের আলোচনায় আফগানিস্তান থেকে শুরু করে ইবোলা ভাইরাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বিষয়ই গুরুত্ব পাবে৷

এ সময় জন কেরি জানান, চলতি বিশ্বের কিছু সংকট নিরসনের বিষয়ে আলোচনা করাই তাঁর এ সফরের মূল উদ্দেশ্য৷ আফগানিস্তানের সঙ্কট নিরসনে জার্মানির ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘আফগানিস্তানের জনগণের হাতে নিজেদের ভবিষ্যৎ স্থির করার ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়ার কাজে জার্মানি আমাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার৷''

Kerry und Merkel PK Bundeskanzleramt 22.10.2014

জন কেরি ও আঙ্গেলা ম্যার্কেল

এর আগে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার-এর সঙ্গে বৈঠক করেন জন কেরি৷ সেখানে ইউক্রেন-সংকটই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে৷ এ প্রসঙ্গে কেরি বলেন, ‘‘রাশিয়ার ক্রাইমিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয়া এবং পূর্ব ইউক্রেনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দেয়াটা সার্বভৌমত্বের সীমা লঙ্ঘনের শামিল৷'' তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সংঘাত চায়না৷ অদূর ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলেও জানান তিনি৷

ইরাকে সব পক্ষের প্রতিনিধিত্বের সরকার ক্ষমতায় আসার বিষয়টি দু দেশের দৃষ্টিতেই ইতিবাচক পরিবর্তন৷ তবে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস-এর তৎপরতা নিয়ে দু দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ স্টাইনমায়ার জানান, আইএস-কে কী ভাবে রোখা যায় – এ বিষয়েও জন কেরির সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর৷

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরে এনএসএ-র গোয়েন্দাদের আড়ি পাতার বিষয়টির ন্যূনতম গুরুত্ব পাওয়ারও লক্ষণ নেই৷ বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটা দু দেশের সম্পর্কোন্নয়েরই লক্ষণ৷

এসিবি/এসবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন