1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মার্কিন অর্থানুকূল্য

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরক, বোমা-প্রতিরোধী কাচ এবং ড্রোন-চালনা নিয়ে গবেষণা চলেছে – সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর রাজনীতিকরা কিছুটা বিমূঢ়৷

ছোট্ট, হলদে রঙের একটি জীব৷ মরুভূমির এই পঙ্গপালটির একটি বিশেষ দর্শনেন্দ্রিয় আছে, যার সাহায্যে সে অন্ধকার রাত্রে কিংবা প্রখর দিবালোকে তার পথ খুঁজে নিতে পারে, হাজার হাজার কিলোমিটার ধরে৷ দৃশ্যত এই পঙ্গপালরা আকাশের তারা অথবা চাঁদের আলো দেখে পথ চলতে পারে৷ এটা কি বিমানযাত্রার ক্ষেত্রেও দিকনির্ণয়ের আদর্শ হতে পারে না? মারবুর্গের ফিলিপ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ঠিক সেই সম্ভাবনা নিয়েই গবেষণা করছেন৷

Brunnen vor dem Hauptgebäude der Ludwig-Maximilians-Universität in München (Oberbayern), aufgenommen am Sonntag (10.08.2008). Die LMU ist eine von sieben vom Bund im Rahmen der Exzelenzinitiative geförderten Universitäten. Foto: Andreas Gebert dpa/lby +++(c) dpa - Report+++

২০১২ সালে মিউনিখের লুডভিশ-ম্যাক্সিমিলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছে

জার্মানির সরকারি এনডিআর টেলিভিশন সংস্থা এবং বেসরকারি স্যুডডয়চে সাইটুং পত্রিকার একদল রিপোর্টার অনুসন্ধান করে বার করেন যে, বহু জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থে গবেষণা করা হয়ে থাকে৷ মারবুর্গের বিজ্ঞানীরাও আফ্রিকার পঙ্গপাল নিয়ে তাদের গবেষণায় মার্কিন বিমানবাহিনীর কাছ থেকে ৭০ হাজার ডলার সাহায্য পেয়েছেন৷ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের গবেষণাকে বুনিয়াদী গবেষণা বলেই গণ্য এবং চিহ্নিত করে থাকেন৷

আরো খোঁজখবর করে সাংবাদিকরা জানতে পারেন যে, পঙ্গপাল সংক্রান্ত ‘বুনিয়াদী গবেষণা'-র উদ্দেশ্য ছিল, পঙ্গপালদের বিশেষ ‘দৃষ্টিশক্তি' ড্রোন এবং অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা চলে কিনা, তা নির্ধারণ করা৷ এবং পেন্টাগনের হয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে দৃশ্যত মারবুর্গ একা নয়৷ প্রায় ২২টি জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অতীতে বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় মার্কিন বদান্যতার স্বাদ পেয়েছে৷ সমরাস্ত্র সংক্রান্ত এবং বুনিয়াদী গবেষণার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জার্মানিতে প্রায় এক কোটি ডলারের আদানপ্রদান ঘটেছে৷

CREECH AIR FORCE BASE, NV - AUGUST 08: An MQ-9 Reaper takes off August 8, 2007 at Creech Air Force Base in Indian Springs, Nevada. The Reaper is the Air Force's first hunter-killer unmanned aerial vehicle (UAV), designed to engage time-sensitive targets on the battlefield as well as provide intelligence and surveillance. The jet-fighter sized Reapers are 36 feet long with 66-foot wingspans and can fly for up to 14 hours fully loaded with laser-guided bombs and air-to-ground missiles. They can fly twice as fast and high as the smaller MQ-1 Predators, reaching speeds of 300 mph at an altitude of up to 50,000 feet. The aircraft are flown by a pilot and a sensor operator from ground control stations. The Reapers are expected to be used in combat operations by the U.S. military in Afghanistan and Iraq within the next year. (Photo by Ethan Miller/Getty Images)

গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, পঙ্গপালদের বিশেষ ‘দৃষ্টিশক্তি' ড্রোন এবং অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা চলে কিনা, তা নির্ধারণ করা

২০১২ সালে মিউনিখের লুডভিশ-ম্যাক্সিমিলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছে৷ ফ্রাউনহোফার গবেষণা প্রতিষ্ঠান মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য বুলেটপ্রুফ কাচ এবং নানা ধরনের বিস্ফোরক নিয়ে গবেষণা করছে৷ মজার কথা, মার্কিন অর্থে যে সব বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান গবেষণা করছে, তাদের অনেকের সনদেই কিন্তু লেখা আছে যে, এখানে সামরিক উদ্দেশ্যে গবেষণা করা চলবে না৷

বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জানাচ্ছে যে, তারা হয় বুনিয়াদী গবেষণা, নয়তো ‘ডুয়াল-ইউজ' বা দ্বিবিধ ব্যবহারের গবেষণা চালাচ্ছে, যে ধরনের গবেষণার ফলাফল সামরিক অথবা বেসামরিক, উভয়ভাবেই ব্যবহার করা চলতে পারে৷ এছাড়া স্বয়ং জার্মান সামরিক বাহিনী জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিভিন্ন ধরনের গবেষণার জন্য অর্থপ্রদান করে থাকে৷

এক্ষেত্রে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও গবেষণার বিষয়বস্তু সম্পর্কে নির্দ্দিষ্ট করে কিছু বলতে নারাজ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন