1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জার্মান পত্রপত্রিকায় দক্ষিণ এশিয়া

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে ‘‘কৌশলী সংলাপ’’ হয়ে গেল, তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে একাধিক জার্মান পত্রিকা৷

default

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি

এই আলোচনার মধ্য দিয়ে দু পক্ষের সম্পর্কের টানাপোড়েন দূর হল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷

মার্কিন-পাকিস্তান মতবিনিময় এমন এক ধারণা তুলে ধরে যে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বুঝি মৌলিক উন্নতি ঘটেছে, মন্তব্য করেছে বার্লিনের দৈনিক ‘‘টাগেসসাইটুং''৷ পত্রিকা লিখছে:

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, গত দুটি বছরে তাঁর সরকার যেসব অবস্থান নেয় তার অনেকগুলোই এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করেছে৷ আগে আস্থার এক অভাব দেখা দিয়েছিল৷ এখন বোঝা যায় যে মার্কিন পক্ষ ‘‘১৮০ ডিগ্রি'' ঘুরে গেছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনের ভাষ্য হল, দুই সরকারই ‘‘ভুল বোঝাবুঝির বছরগুলোকে'' পিছনে ফেলে রাখতে সচেষ্ট৷

Hilary Clinton in Boston

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন

প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের খুব কাছাকাছি আসে৷ তার উল্লেখ করে ‘‘টাগেসসাইটুং''

লিখছে, পাকিস্তানিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল তারা যেন গুরুত্বের অনুভূতির মাঝে ভারতের পিছনে না পড়ে যায়৷ নিজেদের দেশে জঙ্গি ইসলামি সন্ত্রাসের হুমকি সত্ত্বেও পাকিস্তানের কৌশলীরা এখনও ভারতকেই তাদের প্রধান শত্রু বলে দেখে৷

ওয়াশিংটনের সঙ্গে এই ‘‘কৌশলী সংলাপে'' অংশগ্রহণকারী পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা সম্পর্কের পরিবেশগত উন্নতিতেই শুধু আনন্দিত তা নয়৷ মূলত অ্যামেরিক্যানদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও তাঁদের আনন্দের কারণ, মনে করে ‘‘ফাইনান্সিয়াল টাইমস ডয়েচলাণ্ড'' পত্রিকা৷ কেননা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগের মতই খুব খারাপ৷ পত্রিকা লিখছে:

দেশটিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল উদ্ধার করার প্রায় দেড় বছর পর পাকিস্তান বিদেশি দাতাদের বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্যের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল৷ অর্থনীতির বৃদ্ধি ঘটছে এত ধীরে যে গত দশ বছরে এমনটি আর ঘটেনি৷ কিন্তু ভারত বিশ্বব্যাপী সঙ্কটের পরেও তার প্রবৃদ্ধির হার আট শতাংশেরও বেশি করতে পেরেছে৷ পাকিস্তানে বিদেশ থেকে বেসরকারি বিনিয়োগও কমে গেছে৷ ক্লিন্টন বলেছেন, এই ঘাটতি দুর করতে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আসবে এবং পাকিস্তানের পরিকাঠামো উন্নয়নে - বিশেষ করে দুর্বল হয়ে পড়া জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করবে৷

জার্মান ম্যানেজাররা বলছেন, দেশটি বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্যান্যদের চেয়ে অনেক বড় রকমের সুযোগ তুলে ধরে৷ তবে কিনা গুরুতর নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঝুঁকিটা অনেক বড়৷

প্রতিবেদন: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়