1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

জার্মান চাষিদের বাদ দিয়েই জৈব-চাষের ধুম

জার্মান সুপারমার্কেটে জৈবিক পদ্ধতিতে উত্পাদিত শাক সবজি, ফল মূলের প্রাচুর্য চোখে পড়ে৷ এসব উত্পাদনে রাসায়নিক সার ও ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি৷ কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে, এর বেশিরভাগই এসেছে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে৷

আম ও কলার মতো ফলফলারি জার্মানিতে উত্পন্ন হয় না৷ তাই জৈবিক পদ্ধতিতে এসব ফলের চাষ সম্ভব নয়৷ কিন্তু শুধু এই ধরনের ফলমূলই নয়, জৈব বা বায়ো আলু, আপেল, কলা, শশা, শুয়োরের মাংস, দুগ্ধজাত খাদ্য ইত্যাদিও অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়৷ বন ইউনিভার্সিটির এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ো আপেলের প্রতি দুটির একটি বিদেশ থেকে আনা৷ বাজারে জৈব খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা ক্রমেই বেড়ে চলেছে৷ কিন্তু সেই সাথে তাল মিলিয়ে কৃষিজমি বাড়ছে না৷ সমগ্র আবাদি জমির মাত্র ৬.৩ শতাংশতে জৈব ফসল উত্পন্ন হয়৷ বায়ো ফসলের ধুম জার্মান চাষিদের পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে৷ এর ফলে কৃষি অর্থনীতিতে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে৷ বিনষ্ট হচ্ছে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও৷

লাভজনক হচ্ছে না চাষিরা

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের সাহায্য সহযোগিতার অভাবে বায়ো-উত্পাদন ব্যাহত হচ্ছে একথা বলা যায় না৷ কিন্তু কোথাও যেন উন্নয়নটা বিঘ্ন হচ্ছে৷ চাষিরা জৈব উত্পাদনের ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন৷ তাঁরা মনে করেন এতে কী কোনো লাভ হবে? সরকারের আশ্বাস কতটা নির্ভরযোগ্য? ইত্যাদি ইত্যাদি৷ জার্মানির কয়েকটি রাজ্য সরকার জৈব উত্পাদন খাতে তাদের অনুদানের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে৷ কেউ কেউ একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে৷ এছাড়া সাধারণ ও জৈব পণ্যের মধ্যে দামের পার্থক্যও অনেকটা কমে গিয়েছে৷ তাই ব্যয়বহুল বায়োচাষ করে তেমন লাভ হচ্ছে না চাষিদের৷

বেশ কয়েক বছর ধরেই জৈব পদ্ধতিতে ফসল উত্পাদনের জন্য বরাদ্দ কৃষিজমির পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে না৷ অনেক কৃষকই পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ থেকে আবার গতানুগতিক পদ্ধতির চাষাবাদে ফিরে এসেছেন৷ এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায় জার্মানির উত্তরের দুটি রাজ্য লোয়ার স্যাকসনি ও শ্লেসভিগ হলশ্টাইন-এ৷

বাকিটুকু পড়তে ক্লিক করুন এখানে...

নির্বাচিত প্রতিবেদন