1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মান কর্মজীবী নারীরা এখনো অনেক পিছিয়ে

কর্মক্ষেত্রে জার্মান নারীরা এখনো বৈষম্যের শিকার৷ সরকারি পরিসংখ্যান থেকে বেরিয়ে আসছে এমন তথ্য৷ জানা গেছে, জার্মানিতে এখনো উচ্চপদে নারীদের উপস্থিতি কম, পুরুষের তুলনায় নারীদের বেতনও কম৷

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জার্মানিতে নারী শিক্ষার হার বাড়ছে৷ জার্মানির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, এ মুহূর্তে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সি কর্মজীবী নারী ও পুরুষদের মধ্যে অন্তত ৩৫ ভাগ নারী কলেজ বা সর্বোচ্চ পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ করেছেন৷ পুরুষদের মধ্যে এই হার শতকরা ৩১ ভাগ৷

তবে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা বাড়লেও কর্মক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে জার্মান নারীরা এখনো বৈষম্যের শিকার৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জার্মানির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত নারীরা পুরুষদের চেয়ে সার্বিকভাবে ২১ দশমিক ৬ ভাগ বেতন কম পান৷ সমপর্যায়ে কর্মরত নারী-পুরুষদের মধ্যে বেতনের এই ব্যবধান শতকরা ৭ ভাগ৷ অর্থাৎ পদ এক, কাজও এক, তবু নারীর বেতন পুরুষের চেয়ে ৭ শতাংশ কম৷

নারী-পুরুষে এই বেতনের ব্যবধান অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশেও আছে৷ ব্যবধান সবচেয়ে কম ইটালিতে৷ সেখানে গড়পড়তা কর্মজীবী নারীর চেয়ে কর্মজীবী পুরুষের বেতন শতকরা ৬ দশমিক ৫ ভাগ বেশি৷

এই মাপকাঠিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এস্টোনিয়ার নারীদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ৷ সে দেশে সমপর্যায়ে কর্মরত পুরুষ তাঁর নারী সহকর্মীর চেয়ে ২৮ দশমিক ৩ ভাগ বেতন বেশি পান৷

জার্মানিতে নারীদের পদোন্নতির সুযোগও পুরুষদের তুলনায় কম৷ ২০১৪ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, জার্মানিতে ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করছেন মাত্র ২৯ ভাগ নারী৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব দেশ মিলিয়ে ওই পর্যায়ে কর্মরত নারী আছে শতকরা ৩৩ ভাগ৷

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি সুযোগ পাচ্ছে লাটভিয়ার নারী৷ সেখানে এই হার শতকরা ৪৪ ভাগের মতো৷

জার্মানিতে ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কর্মরত নারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ডে কম হলেও ইউরোপের কয়েকটি দেশে কর্মজীবী নারীর অগ্রগতি আরো সীমিত৷ সব চেয়ে খারাপ অবস্থা সাইপ্রাসের নারীদের৷ সেখানে ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে নারী আছে মাত্র ১৭ ভাগ৷

চাকুরিতে জার্মান নারীদের পদোন্নতির সুযোগ কম কেন? এ জন্য কে বা কারা দায়ী? পরিসংখ্যান বলছে, নারীই সবচেয়ে বেশি দায়ী৷ দেখা গেছে, পারিবারিক এবং পারিপার্শ্বিক কিছু কারণে জার্মান নারীরা স্বাস্থ্যসেবা বা বিপণিবিতানের খণ্ডকালীন, স্বল্প বেতনের কাজই বেশি পছন্দ করেন৷ এ সব কাজে পদোন্নতির সুযোগও কম৷ তাই নারীদের তুলে আনার জন্য পুরুষদেরই জীবনের কোনো পর্যায়ে পূর্ণ সময়ের কাজ কম করার অনুরোধ জানিয়েছে জার্মানির ট্রেড ইউনিয়ন৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, ইপিডি, ইউরোস্ট্যাট)

কর্মক্ষেত্রে নারীদের এগিয়ে আনার জন্য পুরুষদেরই সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে৷ এভাবে নারীদের এগিয়ে আনার ভাবনা কতটা বাস্তবসম্মত? জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন