1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মান ইসলামপন্থি এরিক ব্রাইনিঙ্গার সম্ভবত মৃত

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে ব্যর্থ বোমা হামলার ঘটনার মাঝে একটি খবর মোটামুটি চাপা পড়ে যায়৷ এবং তাহল জার্মান ইসলামপন্থি জঙ্গি বলে পরিচিত এরিক ব্রাইনিঙ্গার নাকি পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নিহত হয়েছে৷

default

এরিক ব্রাইনিঙ্গার

উগ্র ইসলামপন্থি মহলের পক্ষ থেকে এই খবর দেয়া হয় সোমবার৷

জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এই খবরকে ‘বিশ্বাসযোগ্য' বলে মনে করছে৷ তবে খবরের চূড়ান্ত সত্যতা এখনও নিরূপণ করা যায়নি৷ অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ব্রাইনিঙ্গার নিহত হবার খবরের সত্যতা পুরোপুরি সমর্থন না করেও জানিয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটটি প্রকৃতপক্ষে জঙ্গি ইসলামপন্থি সংগঠন তাইফাতুল মনসুরা'র বিভিন্ন বিশ্বাসযোগ্য ঘোষণারই উৎস৷

এরিক ব্রাইনিঙ্গারকে ধরার জন্য খুঁজে বেড়াচ্ছে জার্মানির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ৷ জার্মানির সব কটি বিমান বন্দরে তার ছবি টাঙানো আছে৷ আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি আছে তার বিরুদ্ধে৷ ব্রাইনিঙ্গার একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য, এই সন্দেহে জার্মান অপরাধ দমন দপ্তর তার বিরুদ্ধে তদন্তকাজ চালাচ্ছে৷

ইসলামপন্থিদের ওয়েবসাইটের খবর অনুযায়ী, ব্রাইনিঙ্গার গত শুক্রবার নিহত হয়৷ একজন তুর্কি ও দুজন উজবেক জঙ্গিও তার সঙ্গে মারা যায় বলে দাবি করা হয়েছে৷ ব্রাইনিঙ্গারের মত ঐ তুর্কিও ইসলামি জিহাদ ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে ধরা হয়ে থাকে৷ জঙ্গি ইসলামপন্থিদের একটি ওয়েবসাইটও চালাতো ঐ তুর্কি৷ উল্লেখ্য, ইসলামি জিহাদ ইউনিয়নের শিকড় রয়েছে উজবেকিস্তানে৷

জার্মানির জাউয়ারলান্ড সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে ব্রাইনিঙ্গারের যোগ ছিল বলেও ধরা হয়ে থাকে৷ এই গ্রুপের সদস্যরা জার্মানিতে বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনার ওপর বোমা হামলা চালানোর লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুদ করেছিল৷ তবে নিরাপত্তাকর্মীরা আগেভাগেই তাদের ধরে ফেলে৷ গত দু'বছরে সন্ত্রাসীদের একাধিক ভিডিও বার্তায় এরিক ব্রাইনিঙ্গারকে দেখা গেছে৷ এই সব বার্তায় আফগানিস্তানে জার্মান বাহিনীর উপস্থিতির কারণে জার্মানিতে হামলা হতে পারে বলে জানানো হয়৷ তবে ২০০৮ এর অক্টোবর মাসে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় ব্রাইনিঙ্গার জানায় যে, সে আফগানিস্তানে আছে এবং ব্যক্তিগতভাবে জার্মানির বিরুদ্ধে হামলার কোন পরিকল্পনা সে করছেনা৷

এরিক ব্রাইনিঙ্গার জার্মানির জারলান্ড এলাকার ছেলে৷ ২০০৭ সালে ২২ বছর বয়সে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে৷ ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সে মিসর হয়ে পাকিস্তানে চলে যায় এবং সেখানে ইসলামি জিহাদ ইউনিয়নের প্রশিক্ষণ শিবিরে নাম লেখায়৷ ২০০৮ সাল থেকেই সে জিহাদ ইউনিয়নের যোদ্ধা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে৷

পাকিস্তানি সৈনিকদের সঙ্গে লড়াইকালে ব্রাইনিঙ্গার ও অন্যরা নিহত হয় বলে ইসলামপন্থিদের ওয়েবসাইটে ঘোষণা করা হয়েছে৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গত দশ বছরে ১৮০ জন উগ্র ইসলামপন্থি জার্মানি থেকে পাকিস্তানে গেছে৷

প্রতিবেদক: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়