1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

জার্মান আদালতের রায়ে হতাশ গুগল

গুগলে কোনো কিছু খুঁজতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সে আপনাকে কিছু ‘সাজেশন’ দেয়৷ ফলে কোনো শব্দের বানান সঠিক না জানলেও সাজেশনের কারণে আপনি ঠিক বিষয়টা পেয়ে যেতে পারেন৷ এই সেবার নাম ‘অটোকমপ্লিট’৷

সম্প্রতি জার্মানির এক ব্যক্তি এই সেবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন৷ গণমাধ্যমে ঐ ব্যক্তির নাম ‘আরএস' বলা হচ্ছে৷ তাঁর অভিযোগ, কেউ যদি তাঁর পরিচালিত কোম্পানি খুঁজতে গুগলের জার্মান ভাষার ওয়েবসাইটে কিছু লেখে তাহলে সাজেশন হিসেবে ‘সায়েন্টোলজি', ‘প্রতারক' এমন সব মানহানিকর শব্দ চলে আসে৷

উল্লেখ্য, সায়েন্টোলজি হচ্ছে একটা ধর্মীয় সম্প্রদায় যাদের কাজকর্ম জার্মানির সংবিধান পরিপন্থি বলে মনে করা হয়৷ তবে সায়েন্টোলজির অনুসারীরা এটা মানতে রাজি নন৷

ARCHIV - Auf dem Display eines iPhones ist die Startseite von Google Deutschland darstellt, aufgenommen am 19.03.2010. Die EU-Kommission leitet gegen den Internet-Konzern Google ein Missbrauchsverfahren ein. Die EU-Wettbewerbshüter werden untersuchen, ob Google seine marktbeherrschende Stellung bei der Online-Suche missbraucht haben könnte, teilte die EU-Kommission am Dienstag (30.11.2010) in Brüssel mit. Foto: Soeren Stache dpa +++(c) dpa - Bildfunk+++

গুগলে কোনো কিছু খুঁজতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সে আপনাকে কিছু ‘সাজেশন’ দেয়

বিষয়টা নিয়ে ‘আরএস' আদালতে মামলা করে অটোকমপ্লিট সেবা বন্ধ করে দেয়ার অনুরোধ জানায়৷ এই প্রেক্ষিতে আদালত গুগলকে আরএস এর অনুরোধ বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেয়৷

আদালত রায়ে আরও বলে যে, গুগলকে অটোকমপ্লিট সেবা পুরোপুরি বাতিল করতে হবে না৷ তবে অন্য কোনো ব্যবহারকারী যদি ভবিষ্যতে নির্দিষ্টভাবে তার বিষয়ে অনুরোধ করে তাহলে গুগলকে সেটা আমলে নিতে হবে৷

গুগল অবশ্য আদালতের এ রায়ে হতাশা প্রকাশ করেছে৷ তারা বলছে, অটোকমপ্লিট সেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে৷ বেশিরভাগ ব্যবহারকারী যা খোঁজে সেটা বিবেচনা করেই সাজেশন দেয় এই সেবা৷

এর আগেও জার্মানিতে অটোকমপ্লিট নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে৷ সেটা ছিল জার্মানির সাবেক ফার্স্ট লেডি বেটিনা ভুল্ফকে নিয়ে৷ মামলায় অভিযোগ করা হয়, বেটিনা ভুল্ফ লিখতে গেলে অটোকমপ্লিট সেবার মাধ্যমে ‘যৌনকর্মী' সহ আপত্তিকর শব্দ চলে আসে!

সেই মামলাটি এখনো চলছে৷

জেডএইচ/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন