জার্মানি থেকে মাংস আমদানি স্থগিত করল দক্ষিণ কোরিয়া | বিশ্ব | DW | 08.01.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মানি থেকে মাংস আমদানি স্থগিত করল দক্ষিণ কোরিয়া

ডাইঅক্সিন দূষণ আতঙ্ক ক্রমশই বাড়ছে৷ গত ডিসেম্বরে জার্মানিতে ডিমে মাত্রাতিরিক্ত ডাইঅক্সিন দূষণ ধরা পড়ে৷ শনিবার এই আতঙ্কে জার্মানি থেকে মাংস আমদানি স্থগিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া৷ জার্মানরা কিন্তু ডিম খাওয়া পুরোপুরি ছাড়েনি৷

default

ডাইঅক্সিন আতঙ্ক

ডাইঅক্সিন কেলেঙ্কারি

ডাইঅক্সিন দূষণ আতঙ্কে জার্মানি থেকে শূকর এবং হাঁস-মুরগির মাংস আমদানি আপাতত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া৷ শনিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে এই তথ্য৷ ইইউ'র স্বাস্থ্য বিষয়ক মুখপাত্র ফ্রেডরিক ভিনসেন্ট বলেন, আমাদের জানামতে এই প্রথম কোন দেশ ডাইঅক্সিন দূষণ জনিত কারণে মাংস আমদানি স্থগিত করলো৷ তবে, দক্ষিণ কোরিয়ার এই সিদ্ধান্তকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ এদিকে, রাশিয়াও জার্মানি থেকে মাংস আমদানির ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ তবে আমদানি স্থগিতের কোন সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি রাশিয়া৷

যে কারণে আতঙ্ক

মাত্রাতিরিক্ত ডাইঅক্সিন মানুষের শরীরে নানাবিধ রোগ, এমনকি ক্যান্সারের কারণও হতে পারে৷ তাই এই নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে৷ এখন পর্যন্ত যা খবর, তাতে আগাম হুঁশিয়ারি হিসেবে জার্মানির ৪,৭০৯টি খামার বন্ধ করে দিয়েছে সরকার৷ লাখখানেক ডিমও ধ্বংস করা হয়েছে৷

Skandal um Dioxin in Deutschland Flash-Galerie

আগাম হুঁশিয়ারি হিসেবে জার্মানির ৪,৭০৯টি খামার বন্ধ করে দিয়েছে সরকার

হার্লস অ্যান্ড ইয়েন্ৎস

জার্মানির সিল্সভিগ-হল্সটাইন রাজ্যে অবস্থিত সংস্থা হার্লস অ্যান্ড ইয়েন্ৎস গবাদি পশুর খাদ্য উৎপাদনকারী একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়েক হাজার টন দূষিত ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করেছিল৷ এই ফ্যাট আসলে প্রাণীখাদ্যে ব্যবহারের উপযোগী ছিলনা৷ বরং এগুলো ছিল শিল্পখাত ব্যবহারের উপযোগী৷ গত মার্চে এই বিষয়টি জানার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি হার্লস অ্যান্ড ইয়েন্ৎস৷ ডাইঅক্সিন কেলেঙ্কারির শুরু সেখান থেকেই৷

ডিম খাওয়া থামেনি

ডাইঅক্সিন দূষণের আশঙ্কায় বর্তমানে প্রতি পাঁচজন জার্মানের মধ্যে একজন ডিম খাওয়া থেকে বিরত রয়েছেন৷ শনিবার প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফল বলছে এই কথা৷ এমনিড নামক একটি সংস্থার এই জরিপে দেখা যাচ্ছে, ৭৮ শতাংশ জার্মানের খাদ্য তালিকায় এখনো ডিম রয়েছে৷ পাঁচ শতাধিক মানুষ এই জরিপে অংশ নেয়৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন