1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মানির নির্বাচনে প্রিজম কেলেংকারির প্রভাব

সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ জরিপ বলছে, বর্তমান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল হয়ত তাঁর পদে থেকে যাবেন৷ তবে তাঁকে কিছুটা হলেও সমস্যায় ফেলেছেন সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা এডোয়ার্ড স্নোডেন৷

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) এবং অন্যান্য সংস্থা অনলাইন ব্যবহারকারীদের উপর নজরদারি করছে, এমন তথ্য ফাঁস করে সম্প্রতি হৈচৈ ফেলে দেন স্নোডেন৷

মার্কিন গোয়েন্দারা নিজ দেশের নাগরিক ছাড়াও জার্মানি সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দপ্তর ও নাগরিকদের উপরও নজরদারি করছে বলে জানা যায়৷ অথচ জার্মানির তিন গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, তারা এ সম্পর্কে কিছুই জানত না৷ যদিও জার্মানির সর্বাধিক প্রচারিত পত্রিকা ‘বিল্ড আম জনটাগ' এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জার্মানির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অনেক বছর ধরেই এনএসএ-র গোয়েন্দাগিরি সম্পর্কে অবহিত ছিল৷

NSA whistleblower Edward Snowden, an analyst with a U.S. defence contractor, is seen in this still image taken from video during an interview by The Guardian in his hotel room in Hong Kong June 6, 2013. Former U.S. spy agency contractor Snowden has applied for political asylum in Russia, a Russian immigration source close to the matter said on July 1, 2013. Picture taken June 6, 2013. REUTERS/Glenn Greenwald/Laura Poitras/Courtesy of The Guardian/Handout via Reuters (CHINA - Tags: POLITICS MEDIA) ATTENTION EDITORS - THIS IMAGE WAS PROVIDED BY A THIRD PARTY. FOR EDITORIAL USE ONLY. NOT FOR SALE FOR MARKETING OR ADVERTISING CAMPAIGNS. NO SALES. NO ARCHIVES. THIS PICTURE WAS PROCESSED BY REUTERS TO ENHANCE QUALITY. NO THIRD PARTY SALES. NOT FOR USE BY REUTERS THIRD PARTY DISTRIBUTORS. MANDATORY CREDIT

এডোয়ার্ড স্নোডেন

এসব খবর প্রকাশের পর জার্মানিতে আলোচনার ঝড় ওঠে৷ বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা ম্যার্কেল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন৷ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে চ্যান্সেলর পদে ম্যার্কেলের প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়ার স্টাইনব্রুক ম্যার্কেলের বিরুদ্ধে শপথ ভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘জার্মান নাগরিকদের সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর শপথ নিয়েছিলেন চ্যান্সেলর ম্যার্কেল৷ এখন দেখা যাচ্ছে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে৷''

এসব ব্যাপারে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন চ্যান্সেলর ম্যার্কেল৷ সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এআরডি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করে নেন যে, মার্কিন গোয়েন্দাদের কাজের প্রক্রিয়া হয়ত জার্মান আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে৷ ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যেন জার্মানির মাটিতে তথ্য সংগ্রহের সময় জার্মান আইন না ভাঙে, সে আশা প্রকাশ করেন তিনি৷

এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের আরও সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে তিনি একটি আইন করারও প্রস্তাব দেন৷ তিনি বলেন, জার্মানিতে তথ্য সুরক্ষার যে আইন রয়েছে, সেটা বেশ শক্তিশালী৷ কিন্তু কোনো জার্মান নাগরিক যদি এমন কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যেটা জার্মানিতে নিবন্ধিত নয় তাহলে ঐ ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে কিছু করার ক্ষমতা সীমিত৷ তাই একটা সমন্বিত আইন প্রয়োজন৷ উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ধরুন, ফেসবুক যদি আয়ারল্যান্ডে নিবন্ধিত থাকে তাহলে তার ক্ষেত্রে সেখানকার আইন প্রযোজ্য হবে৷''

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন