1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মান নির্বাচন

জার্মানির নির্বাচনের খবর জানতে পথে পথে

আগামী সাধারণ নির্বাচনে জার্মানদের কাছে কোন কোন বিষয় সবচেয়ে গুরুত্ব পাবে, এ সব বিষয়ে তারা কী ভাবছে, পাঠক-দর্শক-শ্রোতাদের তা জানাতে বিশেষ আয়োজন করেছে ডয়চে ভেলে৷

DW Sommerreise Nina und Sumi

ডয়চে ভেলের দুই প্রতিবেদক সুমি সমাস্কান্দা এবং নিনা হাসে ছয় সপ্তাহ ধরে জার্মানির বিভিন্ন শহরে যাবেন

নির্বাচনকে সামনে রেখে দুজন রিপোর্টার ৬টি বিষয়ে দেশের নানা প্রান্তে পথে পথে ঘুরে সাধারণ মানুষের মনোভাব জানবেন৷ একটি সুনির্দিষ্ট স্থানে এক সপ্তাহ ধরে তারা থাকবেন, কথা বলবেন সেখানকার মানুষের সঙ্গে৷ এরপর তা জানাবেন সকলকে৷

এই নির্বাচন কভারেজের জন্য #GermanyDecides এবং #Deutschlandwählt নামে দুটি হ্যাশট্যাগ ঠিক করা হয়েছে৷

ডয়চে ভেলের দুইজন প্রতিবেদক সুমি সমাস্কান্দা এবং নিনা হাসে তাদের ৬ সপ্তাহের এই ‘রিপোর্টিং ট্রিপ’ ১২ জুন বার্লিন থেকে শুরু হচ্ছে৷

ফল্কসভাগেন বাসে করে সেখান থেকে তারা যাবেন স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ড্রেসডেনে৷ ২৪ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনকে কোন কোন বিষয় প্রভাবিত করতে পারে, তান নিয়ে তারা একটা আলাপ শুরু করতে চান৷ সেখানে জার্মানি সম্পর্কে আসা প্রশ্নেরও জবাব দেবেন৷

‘ছয় শহর, ছয় প্রশ্ন’

কোন দিকে যাচ্ছে জার্মানি? রাজধানী বার্লিনে এই প্রশ্নের জবাব খোঁজা হবে৷

জার্মানিতে ডানপন্থি রাজনীতি কতটা শক্তিশালী? ড্রেসডেন এবং এর আশেপাশের এলাকায় এই প্রশ্নের জবাব খোঁজা হবে৷ সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানিতে গড়ে উঠা ডানপন্থি পেগিডা আন্দোলন কেন্দ্রীভূত হয়েছে এই শহরেই৷

উদ্বাস্তুদেরকে কি এখনো স্বাগত জানানো হয়? ভেগশাইডসহ বাভারিয়া অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে এই প্রশ্ন ধরে অনুসন্ধান চলবে৷ বাভারিয়া রাজ্যে সামাজিক রক্ষণশীলতা বেশি৷ এই রাজ্যভিত্তিক দল খ্রিষ্টীয় সামাজিক ইউনিয়নের (সিএসইউ) চাপেই ক্ষমতাসীন সরকারকে উদ্বাস্তু নীতিতে কঠোরতা আনতে হয়েছে বলে মনে করা হয়৷

জার্মান অর্থনীতি কি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত? বাডেন-ভুর্টেমব্যার্গ রাজ্যের রাজধানী স্টুটগার্ট এবং আশপাশের এলাকায় এই প্রশ্ন ধরে কাজ হবে৷ এই জায়গাটি নির্মাণ শিল্পের জন্য বিখ্যাত৷

ইসলাম কি জার্মানিকে বদলে দিচ্ছে? জার্মানির দুই হাজার বছরের পুরাতন শহর কোলন এবং আশপাশের এলাকায় এই অনুসন্ধান চালানো হবে৷ কোলনকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মনে করা হয়৷

জার্মানিতে সমতা ও স্বচ্ছতা কতটা রয়েছে? বাণিজ্যিক ও শিল্প শহর ব্রেমেনে এই অনুসন্ধান চালানো হবে৷

জার্মানির মানুষ এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই টিভি এবং অনলাইন-উভয়ক্ষেত্রে মনোযোগের কেন্দ্রে থাকবে৷ রাজনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কনটেক্সট দেয়া হবে৷

এই ‘সুপার ইলেকশন ইয়ারে’ প্রতিবেদকরা এমন বিষয়েও দৃষ্টি দেবেন, যেগুলো সাধারণত আড়ালে থেকে যায়৷ সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন নির্বাচন এবং ব্রিটেনের ব্রেক্সিট গণভোটের মাধ্যমে বোঝা গিয়েছিলো যে, বড় শহরগুলোর বাইরে মানুষের মানসিকতা বোঝা ও তুলে ধরা গণমাধ্যমের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ৷

টুইটার, ফেসবুক (লাইভ), ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করে ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় যে কেউ রিপোর্টারদেরকে ফলো করতে পারেন৷ তাদের অনুসন্ধানের ফলাফল অনলাইন এবং টিভিতেও পাওয়া যাবে৷

যে দুই প্রতিবেদক ঘুরবেন দেশজুড়ে

সুমি সমাস্কান্দা ২০১১ সাল থেকে ডয়চে ভেলে ইংরেজি বিভাগের উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছেন৷ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অনলাইন এবং টিভিতে তাঁর বহু বছরের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী এই সাংবাদিক শিকাগোতে পড়াশোনা করেন৷ কর্মজীবন শুরু করেন সান ফ্রান্সিসকোতে৷ বশ কোম্পানির ফেলোশিপে কাজ করতে এসে তিনি জার্মানিতে থেকে যান৷ ৯ বছর যাবত তিনি বার্লিনে বাস করছেন৷

তিনি বলেন, ৮০ মিলিয়নের বেশি মানুষের জার্মানি তাঁর ব্যাপক বৈচিত্র্য দিয়ে সব সময়ই আমাকে বিস্মিত করেছে৷ এই বৈচিত্র্য কেবল ভৌগলিকভাবেই নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ভাষাগত দিক থেকেও৷ জার্মানির এপার-ওপার, উত্তর থেকে দক্ষিণে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে আমি ভোটারদের সাথে কথা বলতে যাবো৷

এই যাত্রা কেন গুরুত্বপূর্ণ-এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচনকে ঘিরে জার্মানদের বিভিন্ন ধারা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে উপলক্ষ্য করে জার্মানদের বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে৷ আসলেই সেটা হয়েছ কি-না, হলে কেন হয়েছে? কোন কোন ইস্যুগুলো আগামী সেপ্টেম্বরের নির্বাচনকে তাড়না দেবে? জাতীয় পর্যায়ে যেমনি এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বৈশ্বিক ক্ষেত্রেও এটা সত্য৷ পথে ঘাটে ঘুরে প্রতিবেদন সংগ্রহে এর চেয়ে ভালো সময় আর হতে পারে না৷

নিনা হাসে ২০০৫ সাল থেকে ডয়চে ভেলের ইংরেজি এবং জার্মান সংস্করণে প্রতিবেদক, সম্পাদক, অনলাইন লেখক এবং উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছেন৷ তিনি জার্মানির নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন৷ দেশের রাজনৈতিক অবস্থা কতটা স্থিতিশীল রয়েছে – এই যাত্রায় এটা তার মূল জিজ্ঞাসা৷

তিনি বলেন, সব জায়গায় রাজনৈতিক চালচিত্র বদলে যাচ্ছে৷ প্রশ্নের মুখে পড়ছে পুরাতন জোটগুলো৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন এবং ব্রেক্সিট গণভোটে দেখা গেছে, প্রথাবিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাজনীতিকরা জিতে যাচ্ছেন৷ অন্যদিকে জার্মানির মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো পশ্চিমা মূল্যবোধকে বহন করে চলেছেন৷ আঙ্গেলা ম্যার্কেল বিদেশী গণমাধ্যমের দৃষ্টিতে বিশ্বনেতা বনে গেছেন৷ তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এসপিডির মার্টিন শুলৎস৷

তিনি বলেন, তবে একের পর এক প্রাদেশিক নির্বাচনে জার্মানির জন্য বিকল্প (এএফডি) দলটি আসন পেয়ে চলছে৷ জার্মানিতে আসলে কতটা অসন্তোষ রয়েছে? মাঠে নেমে মানুষের সাথে কথা বললেই এর সবচেয়ে ভালো জবাব পাওয়া যাবে৷

মার্টিন মুনো/এসএন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়