1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মানির কি সৌদি আরবে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করা উচিত?

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সমালোচনা করেছে জার্মান সরকার৷ কিন্তু একইসঙ্গে সেই দেশেই অস্ত্র রপ্তানি করছে বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ জার্মানি৷

সম্প্রতি এক শিয়া মাওলানা সহ আরও তিন শিয়া এবং আল-কায়েদার সদস্য হওয়ার অভিযোগে ৪৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি আরব৷ এই ঘটনায় ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে৷ তেহরানে সৌদি আরবের দূতাবাসে হামলা হয়েছে৷

জার্মানি, ফ্রান্স সহ আন্তর্জাতিক বিশ্ব উত্তেজনা প্রশমনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন৷

২০১৫ সালের প্রথম ছয় মাসে গাল্ফ অঞ্চলের জন্য একাধিক অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি অনুমোদন করে জার্মানি৷ এর মধ্যে সৌদি আরবের জন্য ১৫টি প্যাট্রল বোট রয়েছে৷

জার্মানির একজন অস্ত্র-বিরোধী অ্যাকটিভিস্ট ইয়ুর্গেন গ্র্যাসলিন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘২০০৮ সালে জার্মান সরকার হেকার অ্যান্ড কখ (জার্মানির অন্যতম অস্ত্র প্রস্তুতকারক) কোম্পানিকে জি৩৬ রাইফেল তৈরির অনুমতি দেয়৷ সেই অস্ত্র এখন ব্যবহার করছে সৌদি সেনাবাহিনী৷

‘‘নৈতিক দিক দিয়ে দেখলে এটি একটি অপরাধ৷ কারণ ছোট অস্ত্র বলে পরিচিত এসব অস্ত্রই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্র৷ এ সব ছোট অস্ত্র দিয়েই প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা হয়'', বলেন গ্র্যাসলিন৷

তবে জার্মানির অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি সৌদি আরবে ট্যাঙ্ক, মেশিনগান কিংবা কোনো স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বিক্রি করছে না৷ এর বদলে চার চাকার গাড়ি এবং সামরিক যান, ড্রোন ও লঞ্চারের জন্য কিছু যন্ত্রাংশ বিক্রি করছে৷

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আন্দ্রেয়াস আউড্রেচ বলেন, ‘‘ঐ অঞ্চলে (গল্ফ) অস্ত্র রপ্তানি অনুমোদনের ক্ষেত্রে আমরা নিয়ন্ত্রণমূলক পন্থা অবলম্বন করে থাকি৷''

জার্মানির কি সত্যিই অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করা উচিত? আপনার মন্তব্য জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়