1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

জার্মানির এসপিডি দলের ১৫০ বছর পূর্তি

এসপিডি দল শুধু জার্মানির নয়, সারা বিশ্বের প্রাচীনতম সামাজিক গণতন্ত্রী দল৷ শ্রমিক আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে যাদের সূচনা, পরে তারা রাষ্ট্রের সামাজিক দায়িত্বের প্রবক্তা হয়ে দাঁড়ায়৷

ফার্ডিনান্ড লাসাল ছিলেন ছিলেন ধনি ব্যবসায়ীর সন্তান৷ ১৮৬৩ সালের ২৩শে মে স্যাক্সনি প্রদেশের লাইপসিশ শহরে মূলত তাঁরই উদ্যোগে ‘সাধারণ জার্মান শ্রমিক সমিতি' গঠিত হয়৷ সমিতির লক্ষ্য ছিল শিল্পপতিদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ৷ সেই শ্রমিক আন্দোলন থেকেই ঊনবিংশ শতাব্দী শেষ হওয়ার আগে সামাজিক গণতন্ত্রী আন্দোলন জন্ম নেয়, যা আবার কালে জার্মানির এসপিডি দলের রূপ নেয়৷

শ্রমিকদের প্রতি লাসাল-এর বার্তা ছিল, ‘‘তোমরা যদি তোমাদের অবস্থার উন্নতি চাও, তাহলে তোমাদের রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে হবে, তোমাদের সমমর্যাদার, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সম্পন্ন নাগরিকে পরিণত করতে৷'' শ্রমিক সমিতি ও নবীন সামাজিক গণতন্ত্রী আন্দোলনের কল্যাণে জার্মানির দরিদ্র দিনমজুরেরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে এবং রাজনৈতিক বিচারে বিকাশ ঘটানোর সুযোগ পায়৷

Ferdinand Lassalle (* 11. April 1825 in Breslau; † 31. August 1864 in Carouge als Ferdinand Johann Gottlieb Lassal) war Schriftsteller, sozialistischer Politiker im Deutschen Bund und einer der Wortführer der frühen deutschen Arbeiterbewegung. Als Hauptinitiator und Präsident der ersten sozialdemokratischen Parteiorganisation im deutschen Sprachraum, des 1863 gegründeten Allgemeinen Deutschen Arbeitervereins (ADAV), zählt er zu den Gründervätern der Sozialdemokratischen Partei Deutschlands (SPD), die 26 Jahre nach seinem Tod aus dem ADAV und der Sozialdemokratischen Arbeiterpartei (SDAP) hervorging. © AdsD der Friedrich-Ebert-Stiftung Im Folgenden bieten wir eine Auswahl hochaufgelöster Abbildungen, die Sie kostenfrei im Zusammenhang mit der Berichterstattung oder anderen Verwendungen im Kontext des Jubiläums der Sozialdemokratie nutzen können. Bei Verwendung bitten wir um Hinweis an: Eva.Vary[at]fes.de

ফার্ডিনান্ড লাসাল ছিলেন ছিলেন ধনি ব্যবসায়ীর সন্তান

সে সময় জার্মানির অর্ধেক মানুষ ছিল নিরক্ষর৷ স্বাধীন ও গোপন ভোটাধিকার ছিল না৷ সামাজিক গণতন্ত্রীদের একটি প্রিয় কাহিনি হল: সে আমলের একটি সিগারেটের কারখানায় ন'জন শ্রমিক সিগারেট তৈরি করছে আর দশম জন তাদের একটি বই থেকে পড়ে শোনাচ্ছে৷ এরই নাম ছিল শিক্ষা, রাজনীতির সহজ পাঠ৷ লাসাল বলেছিলেন, সামাজিক উন্নতির পথ হল শিক্ষা৷ যা আজও এসপিডি দলের একটি মুখ্য দাবি৷

নিপীড়ন, উগ্রপন্থা, প্রতিরোধ

‘‘মাত্র এক লাখ সদস্য হলেই এই সমিতি একটি শক্তি হয়ে দাঁড়াবে,'' লিখেছিলেন লাসাল৷ ১৮৭১ থেকে ১৯১৮, অর্থাৎ কাইজারি আমলে সামাজিক গণতন্ত্রীদের সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দশ লক্ষে৷ নির্বাচনে তারা এক-তৃতীয়াংশ ভোট পেতে শুরু করে৷ সামাজিক গণতন্ত্রীরা এতই সফল হয়ে দাঁড়ায় যে, আয়রন চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক তাদের নিষিদ্ধ করেন৷ বারো বছর ধরে সামাজিক গণতন্ত্রীদের নিপীড়ন ও অপমানের শিকার হতে হয়, বহু সামাজিক গণতন্ত্রী দেশত্যাগ করেন৷

নিপীড়নের একটি ফল হয়, দলের একাংশ উগ্রপন্থি হয়ে ওঠে – ক্রমেই আরো বেশি সামাজিক গণতন্ত্রী মার্ক্সবাদকেই একমাত্র পথ বলে গণ্য করতে শুরু করে৷ যার ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে শ্রমিক আন্দোলনে প্রথম বড় বিভাজন ঘটে: একদিকে সংস্কারপন্থি, অন্যদিকে বিপ্লবী৷ কাইজার দ্বিতীয় ভিলহেল্ম সিংহাসন পরিত্যাগ করার পর ১৯১৮ সালের ৯ই নভেম্বর এসপিডি রাজনীতিক ফিলিপ শাইডেমান বার্লিনের রাইখস্টাগের সোপান থেকে একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন৷ অপরদিকে কার্ল লিবকনেশ্ট একটি সমাজতন্ত্রী-কমিউনিস্ট প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন৷ ভাইমার প্রজাতন্ত্র বলে পরিচিত সেই জার্মানিতে গণতন্ত্র বেশিদিন স্থায়ী হয়নি৷ ১৯৩৩ সালের ২৩শে মার্চ আডল্ফ হিটলার গণতন্ত্রের অন্ত ঘোষণা করেন৷

West Germany's Chancellor Willy Brandt kneels before the Jewish Heroes' monument in Warsaw, Poland, Monday, Dec. 6, 1970. Brandt is attending meetings to improve relations between his government and the Communist nations. (ddp images/AP Photo)

১৯৬৯ সালে এসপিডি চ্যান্সেলর ভিলি ব্রান্ড ওয়ারশ'র স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ প্রদানের সময় নতজানু হয়ে জার্মানির পররাষ্ট্রনীতি ও বৈদেশিক ভাবমূর্তির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সংযোজন করেন

শ্রমিক দল থেকে আধুনিক রাজনৈতিক দল

বামপন্থি গণদল হিসেবে পরিচিত হলেও, এসপিডি দল ১৯৫৯ সালে খোলাবাজারের অর্থনীতির প্রতি তাদের আনুগত্য স্বীকার করে৷ ১৯৬৬ সালে সিডিইউ-সিএসইউ দলের সঙ্গে ‘বৃহৎ জোটে' আসে এসপিডি৷ ১৯৬৯ সালে এসপিডি চ্যান্সেলর ভিলি ব্রান্ড ওয়ারশ'র স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ প্রদানের সময় নতজানু হয়ে জার্মানির পররাষ্ট্রনীতি ও বৈদেশিক ভাবমূর্তির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সংযোজন করেন৷

কিন্তু রক্ষণশীল চ্যান্সেলর হেলমুট কোল'এর দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনকালে, যেমন ১৯৮৯ সালে জার্মানির পুনর্মিলনের সময় এসপিডি'র বিশেষ কোনো ভূমিকা ছিল না৷ পরে এসপিডি চ্যান্সেলর গেয়ারহার্ড শ্র্যোডার দলকে তাদের বাম-ঘেঁষা প্রবণতা থেকে উদ্ধার করেন বটে, কিন্তু শ্র্যোডারের ‘এজেন্ডা ২০১০' এসপিডি'কে তার নিজের মূল থেকেই বহু দূরে সরিয়ে নিয়ে যায় – এসপিডি'র সর্বাধুনিক চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী পেয়ার স্টাইনব্রুক যা সংশোধন করার চেষ্টা করছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়