1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

জার্মানির উল্টো বাড়ি সম্পর্কে পাঠকদের ভাবনা

জার্মানিতেই তৈরি হয়েছে আজব এক উল্টো বাড়ি৷ সে বাড়ির বিভিন্ন ছবি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি ছবিঘর৷ আর সে ছবিগুলো দেখেই ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় বেশ কয়েকজন পাঠকবন্ধু বেশ মজার কিছু মন্তব্য করেছেন৷

ডয়চে ভেলের পাঠক আমিনুল ইসলাম শাহীন কিন্তু উল্টো করে তৈরি করা আজব এই বাড়িটিকে ‘আজব বাড়ি' বলতে রাজি নন৷ তাঁর যুক্তি, ‘‘ডিজাইন উল্টো, কিন্ত আজব নয়, কারণ ভিত্তি কাঠামো সবই মাটির নীচ থেকে তৈরি৷''

জুবায়দা চৌধুরীর অবশ্য ধারণা, বিভিন্ন দেশের মানুষের উল্টো কাজ করার প্রবণতা রয়েছে৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘জাপান, জার্মানি, চীন...এ সব দেশের মানুষের মধ্যে অনেক কাজই উল্টো করে করার প্রবণতা রয়েছে৷ গাছ জন্মায় বড়ো হওয়ার জন্যে...কিন্তু এদের চেষ্টা গাছকে ছোট রাখা৷ মানুষ জন্মায় মৃতুর জন্য৷ আর এদের চেষ্টা আজীবন বেঁচে থাকা৷ তারা সময়কে বেঁধে রাখতে চায় ‘টাইম মেশিনে'৷''

জুবায়দা চৌধুরীর সাথে অনেকটা মিল রয়েছে পাঠক মং চাই-এর মতের৷ তাঁর মন্তব্য, ‘‘পৃথিবীতে এমন মানুষও আচ্ছেন যারা সব কিছু উল্টো করার জন্য চিন্তা-ভাবনা করেন৷''

‘‘বাড়িটি ঠিকই আছে, দুনিয়াটাই তো চলছে উল্টো পথে৷'' শফিকুল ইসলামের এই মন্তব্যে মনে হচ্ছে কোথায় যেন কিছুটা হলেও সত্য লুকিয়ে আছে, তাই না?

আজব বাড়ির ছবিগুলো দেখে ডয়চে ভেলের পাঠক ফাহমিদা আক্তার বৃষ্টির কিন্তু জোনাথান সুইফটের ব্যঙ্গধর্মী রচনা গ্যালিভার্স ট্র্যাভেলস-এর কথা মনে পড়ে গেছে৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘ফাইনালি জোনাথান সুইফটের গ্যালিভার্স ট্র্যাভেলস-এর স্যাটায়ার সত্যি হলো৷''

তবে ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু নিশাত তাসনিম কিন্তু জার্মানির আজব এই উল্টো বাড়ির ছবি দেখে খুবই অবাক হয়েছেন৷ মহিন খান, বিক্রম বোস, সাদিক বাপ্পি, মো. রুহুল বোসেরও খুব ভালো লেগেছে তথ্যসহ আজব বাড়ির ছবিগুলো৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন