1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

জার্মানির উদ্যান প্রদর্শনীর ঝলক

হাফেল নদীর অববাহিকায় পাঁচটি স্থান জুড়ে এ বছরের বুন্ডেসগার্টেনশাউ বা ফেডারাল উদ্যান প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে৷ এবারকার নতুনত্ব: ছোট বাগান৷

২০১৫ সালের বুন্ডেসগার্টেনশাউ বা ফেডারাল উদ্যান প্রদর্শনী৷ হাফেল নদীর অববাহিকায় বিরাট এলাকা জুড়ে একটি রংয়ের সাগর! নদী আর তীরভূমি৷ আগামী অক্টোবর পর্যন্ত দর্শকরা এই ৫৫ হেক্টার আয়তনের প্রদর্শনী চষে ও চেখে বেড়াতে পারবেন৷ ‘‘ব্লু রিবন'' নামধারী হাফেল নদী হল এই প্রদর্শনীর মটো৷ প্রদর্শনীর পাঁচটি স্থানের যোগসূত্র হল এই হাফেল৷ বুন্ডেসগার্টেনশাউ-এর পেট্রা ইয়নশ্কভস্কি বললেন, ‘‘বড় কথা হল, আমরা এই ফেডারাল উদ্যান প্রদর্শনীর জন্য কোনো নতুন জমি নিইনি, নদীর ধারের প্রান্তর কেটে বাগান করিনি৷ বরং মানুষজন যেখানে থাকে, সেখানেই আমরা জায়গা করে নিয়েছি; যেখানে অনেক কিছু দেখার আছে; যার পটভূমিতে আমাদের তৈরি জিনিসগুলো একটা নতুন চেহারা পেয়েছে৷''

ত্রিশটির বেশি বাগানে সর্বাধুনিক ট্রেন্ডগুলি দেখানো হচ্ছে৷ অনেক বাগানেরই ‘থিম' হল এই ফেডারাল উদ্যান প্রদর্শনীরও একটি থিম: জল৷ হাফেল নদীতে খুঁজে পাওয়া টুকরো-টাকরা দিয়েও তাকে ফুটিয়ে তোলা যায়৷ ‘হাফেল অঞ্চল'-এর উদ্ভিদ জগতও এখানে একটা ভূমিকা রেখেছে: জড়িবুটির বাগানে৷

ছোট বাগান, নীল ফিতে ও গির্জা

এবারের প্রদর্শনীর আরেকটি বিষয়বস্তু হল: কম জায়গায় বাগান করা৷ ল্যান্ডস্কেপ গার্ডেনিং বিশেষজ্ঞ ফ্রাঙ্ক শ্র্যোডার বললেন, ‘‘আমি নানা ধরনের পদার্থ, শিল্পকলা দিয়ে ওখানে কিছু একটা সৃষ্টি করতে পারি৷ একটা সুন্দর বাগান সৃষ্টি করার জন্য আমার এক হাজার বর্গমিটার ফাঁকা জমির প্রয়োজন নেই৷''

গাড়ির রাস্তা ধরে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ৷ ব্রান্ডেনবুর্গ থেকে রাটেনো যাওয়ার সময় বোঝা যায়, এ বছরের গার্টেনশাউ-এর এলাকাটা ঠিক কতবড়! এখানেও সেই ব্লু রিবন হাফেল নদী হল কেন্দ্রবিন্দু৷ তবে দর্শকরা আরো একটা নীল ফিতে দেখে চমকে যান: সেটা হল একটা ইনস্টলেশন৷ একজন বললেন, ‘‘এটা হল ‘ব্লু রিবন' হাফেল নদীর প্রতীক৷ এভাবেই নাকি ব্রান্ডেনবুর্গ থেকে রাটেনো হয়ে হাফেলব্যার্গ পর্যন্ত চলে গেছে৷''

ফেডারাল উদ্যান প্রদর্শনীর পরবর্তী স্থানটিতেও একটি বিশেষ আকর্ষণ আছে৷ সেজন্য আবার হাফেল অঞ্চল পার হয়ে রাটেনো থেকে হাফেলব্যার্গ পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার পথ যেতে হবে৷

এখানে একটি গির্জাই হল প্রদর্শনীর স্থান৷ ‘‘বসন্তের আগমন''-এর মতো বিষয়টিকে গির্জার আলো-আঁধারিতে স্থান দেওয়া এক দুঃসাহসিক পরিকল্পনা৷ উদ্যানকর্মী মাটিয়াস কুকলিক বললেন, ‘‘এখানে আমরা প্রায় ৮০০ থেকে হাজার লাক্সের আলো রেখেছি৷ আমরা ঝারি নিয়ে ফুলগাছগুলোর মধ্যে দিয়ে যাবো আর অতি সাবধানে জল দেবো, যাতে অংশত কাঠের, অংশত পাথরের এই সুপ্রাচীন মেঝের কোনো ক্ষতি না হয়৷ সেজন্য অতি সাবধানে জল দিতে হবে৷''

বুন্ডেসগার্টেনশাউ চলবে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত: হাফেল অঞ্চলের পাঁচটি স্থান মিলিয়ে মোট দশ লাখ ফোটা ফুল দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক