1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মানিতে শরণার্থীদের সুযোগ-সুবিধা কমানোর দাবি

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের মনে করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে শরণার্থীদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্যতা রয়েছে৷ জার্মানি অন্যদের তুলনায় বেশি সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করেন তিনি৷

জার্মানির একটি পত্রিকাকে শনিবার দেয়া সাক্ষাৎকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে, তিনি ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শরণার্থী ইস্যুতে একই মান দেখতে চান৷ তিনি মনে করেন, জার্মানির বর্তমান ব্যবস্থা মানবপাচারকারীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়৷ 

Deutschland Thomas de Maizière

জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাইনিশে পোস্ট পত্রিকাকে বলেন, ‘‘অনেক শরণার্থী ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে জার্মানিতে বসবাস করতে চান, কেননা দেশটির (শরণার্থী গ্রহণ) পদ্ধতি এবং অভ্যর্থনা ব্যবস্থা উদার এবং সুযোগ-সুবিধাও (অন্যান্য দেশের তুলনায়) অনেক বেশি৷''

তাহলে কি জার্মানিতে শরণার্থীদের সুযোগ-সুবিধার মান কমানো হবে? এই প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংকোচের সঙ্গে জানান যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে সামঞ্জস্য আনতে হবে৷ তিনি বলেন, ‘‘আশ্রয়গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং আশ্রয়প্রার্থীদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আগের চেয়ে বেশি সমন্বয় প্রয়োজন৷ কিছুক্ষেত্রে এখানে শরণার্থী গ্রহণের হার অন্যান্য জায়গার তুলনায় বেশি এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য৷'' 

ডেমেজিয়ের অবশ্য স্বীকার করেন যে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় জার্মানিতে জীবনযাপনের খরচ বেশি৷ সেক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণের পর জার্মানির বাড়তি খরচের কথা বিবেচনা করে শরণার্থীদের কিছু ভর্তুকি দেয়া যেতে পারে৷

উল্লেখ্য, জার্মান আইন অনুযায়ী, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের বাসস্থান, খাদ্য, প্রসাধনী, পোশাক এবং জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত জিনিস যেমন, দেশে ফোন করার ফোন কার্ড ইত্যাদি প্রদান করা হয়৷ আইনে নগদ অর্থের বদলে যতটা সম্ভব জিনিসপত্র এবং সেবা দেয়ার কথা বলা হয়েছে৷ তবে রাজ্যভেদে মাসিক ভাতা দেয়ারও প্রচলন রয়েছে জার্মানিতে৷ সেক্ষেত্রে শরণার্থী শিবিরে থাকা প্রত্যেক অবিবাহিত অভিবাসনপ্রত্যাশীকে মাসে ১৩৫ ইউরো এবং বিবাহিত দম্পতির প্রত্যেককে ১২৯ ইউরো করে প্রদান করা হয়৷ এছাড়া শিশুরাও বয়সভেদে ৭৬ থেকে ৮৩ ইউরো অবধি পায়৷ আর শরণার্থী শিবিরের বাইরে থাকা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক পান মাসে ২১৬ ইউরো করে৷ প্রত্যেক বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রে এই অনুদান মাসে জনপ্রতি ১২২ ইউরো৷

প্রতিবেদন: রেবেকা স্ট্যাওডেনমেয়ার/এআই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়