1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘জার্মানিতে মুসলিমদের অভিবাসন বন্ধ করে দেওয়া উচিত'

এক সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, জার্মানিতে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ করতে চান৷ সমাজের বড় অংশে সামগ্রিকভাবে ব়্যাডিকাল চিন্তাধারার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে চলায় দুশ্চিন্তা দেখা দিচ্ছে৷

ইউরোপ জুড়ে চরম দক্ষিণপন্থি ও ‘পপুলিস্ট' দলগুলির লাগাতার উত্থান যথেষ্ট দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কিন্তু জার্মানি বহুকাল এই প্রবণতা থেকে দূরে থাকতে পেরেছিল৷ তারপর ‘পেগিডা' আন্দোলন ও একের পর এক আঞ্চলিক নির্বাচনে ‘এএফডি' নামের রাজনৈতিক দলের সাফল্য জার্মানির রাজনৈতিক চালচিত্র বদলে যাচ্ছে৷ মূল স্রোতের দলগুলির সমর্থকদের একাংশ বীতশ্রদ্ধ হয়ে জনমোহিনী রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে৷ ফলে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনেক বিতর্কিত অবস্থান জার্মানিতেও অনেকের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য৷

এই প্রবণতা কতটা শিকড় গড়েছে? লাইপসিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি জনমত সমীক্ষায় এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে৷ ২০০২ সাল থেকে প্রতি দু'বছর পর পর এই সমীক্ষা চালানো হয়৷ সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যে ব়্যাডিকাল চিন্তাধারা জার্মানির মানুষের কাছে আগের তুলনায় অনেক গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে৷ ফলে ‘খাঁটি জার্মান' ভাবধারার বাইরে সব কিছুর প্রতি ঢালাও বিদ্বেষের প্রবণতা বাড়ছে৷

তালিকার উপরেই রয়েছে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ৷ সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ মনে করেন, জার্মানিতে মুসলিমদের অভিবাসন বন্ধ করে দেওয়া উচিত৷ ২০১৪ সালে ৩৬.৬ শতাংশ মানুষ এমন মত পোষণ করতেন৷ তবে শুধু মুসলিম নয়, সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী থেকে শুরু করে সিন্টি ও রোমা জনগোষ্ঠীর মতো ‘বহিরাগত'-দের প্রতি বিদ্বেষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ এমনকি সমকামীদেরও সমাজে স্থান দিতে প্রস্তুত নয় অনেকে৷

দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, বহিরাগতদের প্রতি এই বিদ্বেষ শুধু এএফডি-র মতো দলের সমর্থকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই৷ সমাজের একটা বড় অংশে এমন চিন্তাধারা গ্রহণযোগ্যতা পেতে শুরু করেছে৷ ফলে সাধারণ বিদেশি-বিদ্বেষ থেকে শুরু করে নাৎসি মতবাদের প্রতি নরম মনোভাব আজ আর ততটা বিরল নয়৷ শুধু তাই নয়, আগের তুলনায় অনেক বেশি মানুষ প্রয়োজনে হিংসার আশ্রয় নিয়ে এই মনোভাব কার্যকর করতে প্রস্তুত৷ তবে আশার কথা হলো, এমন প্রবণতা বেড়ে চলা সত্ত্বেও জার্মানির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ উগ্র দক্ষিণপন্থি চিন্তাধারা ও হিংসার বিরোধী৷ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিদ্বেষের মাত্রা কম৷

এসবি/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়