1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

জার্মানিতে বিদ্যুৎ-চালিত গাড়ির জন্য ভর্তুকি, বিশেষ সুবিধা

থেকে থেকেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়ে যায়৷ ফলে গাড়ি চলা ক্রমশ যেন বিলাসিতায় পরিণত হচ্ছে৷ জার্মানি এবার বাজারে বিদ্যুৎ-চালিত গাড়ি আনায় উৎসাহিত দিতে ব্যবস্থা নিচ্ছে৷

default

পেট্রল নয়, প্লাগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ভরা হচ্ছে বিদ্যুৎ-চালিত গাড়িতে

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল নিজে প্রযুক্তির ব্যবহারে মোটেই পিছিয়ে নেই৷ দ্রুত এসএমএস লেখার ক্ষেত্রে তাঁর বেশ নাম হয়েছে৷ প্রতি সপ্তাহান্তে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ‘ভিডিও পডকাস্ট'এর মাধ্যমে চলতি অনেক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন৷ চলতি সপ্তাহান্তে সেই বার্তার মধ্যে বেশ চমকপ্রদ এক খবর জানা গেল৷

Peter Ramsauer steigt aus einem Elektroauto Typ E-Golf

‘ই-গাড়ি’ থেকে নামছেন জার্মানির পরিবহন মন্ত্রী পেটার রামসাউয়ার

ম্যার্কেল জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ-চালিত গাড়ির উৎপাদন ও বিক্রি তরান্বিত করতে আগামী দু'বছরে জার্মান সরকার প্রায় ১০০ কোটি ভর্তুকি দিতে প্রস্তুত৷ নতুন এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে জার্মান গাড়ি নির্মাতারা যাতে একেবারে প্রথম সারিতে থাকতে পারে, সেটাই চায় ম্যার্কেল সরকার৷ শুধু তাই নয়, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে জার্মানির রাস্তায় কমপক্ষে ১০ লক্ষ ইলেকট্রিক গাড়ি নামানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে৷ ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে ৬০ লক্ষে পৌঁছে যেতে পারে বলে ম্যার্কেল আশা করেন৷ শুধু আর্থিক অনুদান নয়, বিদ্যুৎ-চালিত গাড়ির জন্য বাড়তি উৎসাহ হিসেবে রাস্তায় আলাদা লেন, পার্কিং'এর আলাদা ব্যবস্থা করার কথা ভাবা হচ্ছে৷

Symbolbild Elektroauto

২০২০ সালের মধ্যে জার্মানির রাস্তায় কমপক্ষে ১০ লক্ষ ইলেকট্রিক গাড়ি নামাতে চায় সরকার

জাতীয় ‘ইলেকট্রো-মোবিলিটি প্ল্যাটফর্ম' নামের গোষ্ঠী সোমবার এই সংক্রান্ত এক রিপোর্ট প্রকাশ করতে চলেছে৷ তারপর বুধবারই মন্ত্রিসভা এই প্রকল্পের জন্য অর্থের যোগানের বিষয়ে আলোচনায় বসবে৷ এই গোষ্ঠী সরকারের কাছে বেশ কয়েক কোটি ইউরো বিনিয়োগের প্রস্তাব রাখবে বলে শোনা যাচ্ছে৷ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও পেট্রোলিয়াম আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে এক সার্বিক পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করছে এই গোষ্ঠী৷

পরিবেশ সংরক্ষণ এককালে শুধু সবুজ দলের একচেটিয়া বিষয় ছিল৷ বর্তমানে জার্মানির প্রায় সব রাজনৈতিক দলই বিষয়টিকে আপন করে নিয়েছে এবং নিজস্ব সমাধানসূত্র তুলে ধরছে৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়