জার্মানিতে পুলিশ সেজে চোরের উপদ্রব | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.11.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জার্মানিতে পুলিশ সেজে চোরের উপদ্রব

জার্মানিতে সবে গ্রীষ্মের শেষে হেমন্ত কাল শুরু হয়েছে৷ দিনের আলো কমছে, দ্রুত অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে৷ সেইসঙ্গে বাড়ছে চোরের উপদ্রব৷ নানা ফন্দি এঁটে তারা মানুষকে বোকা বানিয়ে চলেছে৷

default

ফাইল ফটো

প্রথমে টেলিফোন কল৷ অপর প্রান্তে জার্মান ফেডারেল অপরাধ দমন দপ্তরের অফিসার৷ গম্ভীর কণ্ঠে বলছেন, দিনকাল খুব খারাপ৷ তাঁরা ডাকাতির ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট খবর পেয়েছেন৷ নিরাপত্তার খাতিরে তাই বাড়িতে গয়নাগাটি রাখা চলবে না৷ অতএব সে সব পুলিশের কাছেই গচ্ছিত রাখতে হবে৷ অথবা অন্য কোথাও নিরাপদে রাখতে হবে৷ গৃহস্থের মাথায় হাত৷ এ তো ভারী বিপদ! গয়নাগাটি চুরি হয়ে গেলে তো সর্বনাশ৷ পুলিশ যখন বলছে, তখন তো বিশ্বাস করতেই হয়৷ বেল বাজার পর দরজা খুলে দেখা গেল ইউনিফর্ম পরা পুলিশকর্মীকে৷ অতএব নিশ্চিন্ত হয়ে তার হাতে দামি গয়নাগাটি তুলে দিলেই দুশ্চিন্তা দূর হবে৷ কিন্তু একটাই সমস্যা৷ টেলিফোনের অফিসার বা পুলিশ কর্মী – কাউকেই আর পরে খুঁজে পাওয়া যায় না৷ লোপাট গয়নাগাটিও৷ জার্মানিতেও এমনটা ঘটে এবং ঘটছে৷

কোলোন শহরের পুলিশ সম্প্রতি এমন দুটি ঘটনার আলোকে নড়েচড়ে বসেছে৷ এমন জোচ্চুরির শিকার হয়েছেন ৮১ বছরের এক বৃদ্ধা৷ পুলিশের ছদ্মবেশে এক চোর নিজে এসে তাঁর গয়নাগাটি নিয়ে গেছে৷ এক ৬১ বছরের নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও অদ্ভূত৷ টেলিফোনে তাঁকে বলা হয়েছিল, গয়নাগাটি প্যাকেটে মুড়ে দরজার সামনে রাখতে৷ কারণ ডাকাতরা এলো বলে! দুজনেই সরল বিশ্বাসে কথামতো কাজ করেছেন৷

মানুষকে বোকা বানানো এতই সহজ! এই দুটি ক্ষেত্রে অবশ্য চোরেদের কৃতিত্বও মানতেই হবে৷ আসলে জার্মানিতে পুলিশের টেলিফোন নম্বর ১১০৷ মানুষজন পুলিশকে এই নম্বরেই ফোন করেন৷ জোচ্চোররা ফোন করলে গৃহস্থের টেলিফোনে ফুটে উঠছে ১১০৷ অবশ্যই এর পেছনে রয়েছে চালাকি৷ কিন্তু এমন নম্বর দেখে চট করে বিশ্বাস জন্মাতেই পারে৷ পুলিশের পক্ষ থেকে তাই এক নির্দেশিকা দেয়া হয়েছে৷ তবে চোরেরাও কি সহজে দমে যাবে! অন্য উপায়ে তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে৷ অতএব সতর্ক থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন