1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মানিতে নাৎসিবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট গ্রেপ্তার

নাৎসিদের ঘৃণাভরে স্মরণ করার দিনেই জার্মানিতে প্রকাশিত হলো দুই নাৎসিবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেপ্তারের খবর৷ ডানপন্থি ভাবাদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্মের কাজে সক্রিয় ছিলেন তাঁরা৷

২৭ জানুয়ারি তারিখটি ঐতিহাসিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ৷ আন্তর্জাতিক হলোকস্ট দিবস হিসেবে সারা বিশ্বেই দিনটি পালিত হয়৷ এ বছরও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হচ্ছে দিনটি৷ আউশভিৎস বন্দি শিবির থেকে বন্দিদের মুক্ত করার মুহূর্তগুলোও এই দিনে স্মরণ করে জার্মানি৷

এবার হলোকস্ট দিবসের বিশেষ বক্তা হিসেবে জার্মানির সংসদে কথা বলেছেন রুট ক্ল্যুগার৷ তিনি এসেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে৷ ১৯৪৪ থেকে ১৯৪৫ – এই দুই বছর আউশভিৎস বন্দি শিবিরেই ছিলেন রুট ক্ল্যুগার৷ সংসদে আউশভিৎসের ভয়াবহ সেই দিনগুলোকে নিজের ‘জীবনের সবচেয়ে শীতল শীতকাল' হিসেবে উল্লেখ করেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের নৃশংসতম বর্বরতার এই প্রত্যক্ষদর্শী ৷

এবারের শীতে আরেকটি ঘটনাও প্রত্যক্ষ করছে জার্মানি৷ সাম্প্রতিক সময়ে নব্য নাৎসিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ৷ মঙ্গলবার এ অভিযানের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের খবরও পাওয়া গেল৷ জার্মান আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বিলেফেল্ড শহর থেকে অন্তত দু'জন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ গ্রেপ্তারকৃতদের একজন নারী৷

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া দু'জন ‘আল্টারমিডিয়া' নামের একটি ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্মের ‘অ্যাডমিন'৷ ‘আল্টারমিডিয়া' প্রথমে ফ্রান্স থেকে ব্লগসাইট হিসেবে কাজ শুরু করে৷ ধীরে ধীরে কাজের পরিসর বাড়িয়ে একসময় এটি ডানপন্থি রাজনীতির ‘প্রপাগান্ডা মেশিন' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে৷

গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবারই ‘আল্টারমিডিয়া'-র অ্যাডমিন এবং অন্যান্য কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে৷ ২০১১ সালে সাবেক ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটর' আলেক্স ম্যোলারকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ৩০ মাস কারাবাস এবং ৩ হাজার ইউরো জরিমানার শাস্তি ঘোষণা করেছিল৷

এর কয়েকমাস পর গ্রেপ্তার হন রবার্ট রুপ্রেশট নামের আরেকজন৷ ২৭ মাস কারাভোগ করতে হয়েছে তাঁকে৷ দু'জনের বিরুদ্ধেই মূল অভিযোগ ছিল, তাঁরা জার্মানির ‘হেইট স্পিচ আইন' লঙ্ঘন করেছেন৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

জার্মানিতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে৷ তবে মত প্রকাশের নামে ঘৃণা ছড়ানো আইনত দণ্ডনীয়৷ আপনি কি ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে সরকারের এই অবস্তানকে সমর্থন করেন? নীচে আপনার মতামাত জানান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়