1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

জার্মানিতে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে

ঘরের কাছের মাঠেই যদি পেট্রোলিয়াম পাওয়া যায়, তাহলে কেমন হয়? জার্মানির একটি এলাকায় তেমনটাই ঘটছে৷ তবে প্রযুক্তির কল্যাণে গোটা এলাকা খোঁড়া হচ্ছে না, মাটির নীচে শব্দের প্রতিফলন ঘটিয়ে তেলের ভাণ্ডার সম্পর্কে আগাম জানা যাচ্ছে৷

জার্মানির ব্রান্ডেনবুর্গ রাজ্যের মেয়ারকিশে হাইডে-তে মাঠের উপরেই বিশেষ ট্রাকে লাগানো ভারি প্লেট এলাকার মাটি কাঁপিয়ে দিচ্ছে৷ সাড়ে তিন কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত পৌঁছায় তার স্পন্দনের তরঙ্গ৷ সেই তরঙ্গ আবার মাটির নীচ থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে৷ মাটির উপর বসানো বিশেষ মাইক্রোফোনের মাধ্যমে সেই প্রতিফলিত তরঙ্গ শুনতে পাওয়া পায়৷ জানা গেছে, ২০০-র মতো জিওফোন লাগানোর কাজ হয়ে গেছে, তবে প্রকল্পের জন্য প্রায় ১০,০০০ মাইক্রোফোন দরকার৷

এত বড় আকারে সিজমোলজিক্যাল পরীক্ষা চালাতে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়৷ প্রায় ৩ মাস কাজ চলছে৷ থ্রিডি বা ত্রিমাত্রিক ভূতাত্বিক মানচিত্র তৈরি করাই এর লক্ষ্য৷ শুধু এই কাজেরই ব্যয় প্রায় ৯০ লাখ ইউরো৷ সিইপি কোম্পানির টোমাস শ্র্যোটার বলেন, ‘‘মেপে দেখলেই বুঝবেন আমরা এ বিষয়ে কতটা আন্তরিক৷ কারণ এখানে যে তেল আছে, সেটা আগেই জানা গেছে৷ আমরা তা খুঁজে পেয়েছি৷ নতুন এই প্রযুক্তি দিয়ে আমরা মাটির নীচের অবস্থা এমনভাবে দেখছি, যেমনটা আগে কখনো সম্ভব ছিল না৷''

এই অনুসন্ধানের জন্য সব মিলিয়ে ৫ বছরে প্রায় ৭ কোটি ৪০ লক্ষ ইউরো ব্যয় হবে৷ স্থানীয় বাসিন্দা ও চাষীদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে৷ চারিদিকে লম্বা তার পাতা ও মাটিতে মাইক্রোফোন বসানো রয়েছে৷ চোখ এড়িয়ে যাবার উপায় নেই৷ একজন বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম মাটি খুঁড়ে হয়তো সাইকেলের পথ তৈরি হচ্ছে৷ আরেক জন বলেন, এখানে তেল খুঁজে পেলে তা আমাদের জন্য ভালই হবে৷ লোকজন কাজ পাবে৷

মেয়ারকিশে হাইডে-র মেয়র ডিটার ফ্রাইহফ-এরও আপত্তি নেই৷ তবে তেলের কারণে এলাকা ধনী হয়ে উঠবে বলে তিনি মনে করেন না৷ তিনি বললেন, ‘‘এই অঞ্চলে টাকার পাহাড় আসবে না৷ এমনিতেই এই এলাকায় শিল্প-বাণিজ্য কম৷ ২০ জন মানুষের কর্মসংস্থান হলেও আমাদের উপকার হবে৷ যদি তারা ৪০-৫০ বছর ধরে কাজ করতে পারে, তাহলেই চলবে৷''

সবাই যাতে এই প্রকল্পের উপকারিতা বুঝতে পারে, সেই লক্ষ্যে কোম্পানি সচেষ্ট রয়েছে৷ গত বছর প্রথম পরীক্ষামূলক খননের সময়েই তারা সেটা করেছিল৷ গোটা এলাকায় খনন করা হবে, এমন আশঙ্কা তখন উড়িয়ে দেওয়া হয়৷ টোমাস শ্র্যোটার বললেন, ‘‘অতীতে এমনটা করতে হতো বটে, আজ আর এ সবের দরকার পড়ে না৷ একটি জায়গায় খনন করে পাইপ ঢোকালে সেটি মাটির নীচেই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে৷ ফলে কয়েক মিটার পর পর খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয় না৷''

এখনই অনেক কার্যকলাপ চোখে পড়লেও জার্মানির ব্রান্ডেনবুর্গ রাজ্যে পেট্রোলিয়াম উৎপাদন করতে কমপক্ষে আরও ৪ বছর সময় লাগবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়