1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জার্মানিতেও শিশুদের কারণে পর্নোগ্রাফি নিয়ে দুশ্চিন্তা

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন মনে করেন,ক্ষতি রুখতে অবিলম্বে ইন্টারনেটে শিশু-কিশোরদের পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইট দেখা যতটা সম্ভব কঠিন করা উচিত৷ বিষয়টি নিয়ে জার্মানিও বেশ উদ্বিগ্ন৷

গত সপ্তাহেই পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইটগুলোর কারণে শিশুদের নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন ডেভিড ক্যামেরন৷ এক ভাষণে ইন্টারনেট সেবাদানকারীদের প্রতি এ বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘একজন রাজনীতিবিদ এবং বাবা হিসেবে আমি মনে করি এক্ষুনি একটা কিছু করা উচিত৷ শিশুদের আমরা কীভাবে বড় করে তুলতে পারি, তাদের নিষ্পাপ মনটাকে কীভাবে ধরে রাখতে পারি – এ নিয়ে আমাদের ভাবতেই হবে৷''

নগ্নতা এবং যৌনতার আকর্ষণ নিয়ে সাইবার জগতে হাজির অসংখ্য পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইট৷ অপ্রাপ্ত বয়স্কদের সেই সাইটগুলোতে প্রবেশাধিকারই থাকার কথা নয়৷ অথচ শৈশবেই তারা ঢুকে পড়ছে সেই জগতে৷ এর নানা রকমের খারাপ প্রভাব পড়ছে পরিবারে, সমাজে৷ সে কারণেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই দুশ্চিন্তা৷ ব্রিটেন পর্নোগ্রাফির সাইটগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফিল্টার' ব্যবহারের কথা ভাবছে৷ এর বাইরে আরো কঠোর কিছু ব্যবস্থার কথাও বিবেচনা করে দেখছে দেশটি৷

ARCHIV - ILLUSTRATION - Ein Mann schaut am Computer auf eine Seite des Bundeskrimalamtes, auf der ein Stoppschild für eine Internetseite mit kinderpornografischen Inhalten zu sehen ist (gestellte Aufnahme, Archivfoto vom 23.03.2008). Die umstrittenen Sperren für Kinderpornos im Internet sind endgültig vom Tisch. Die Spitzen der schwarz-gelben Koalition in Berlin beschloss am Dienstag (05.04.2011), das Sperrgesetz der Vorgängerregierung zu kippen. Foto: Jens Schierenbeck +++(c) dpa - Bildfunk+++

পর্নোগ্রাফির সাইটগুলোর জন্য ‘ফিল্টার' ব্যবহারের কথা ভাবছে,ব্রিটেন ও জার্মানি

জার্মানিতেও লেগেছে তার ঢেউ৷ কথা উঠেছে ইন্টারনেটে বিশেষ ‘ফিল্টার' ব্যবহার করে এ ধরনের ওয়েবসাইট ভিজিট করার পথে অন্তরায়ের ব্যবস্থা করার৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারনেট সেবাদানকারীরা এমন ফিল্টার ব্যবহার করলে অনেক ক্ষেত্রে অন্য ওয়েবসাইট ভিজিট করাও কঠিন হয়ে যেতে পারে৷

সব দিক বিবেচনা করে শিশুদের পর্নোগ্রাফি থেকে দূরে রাখার জন্য একটা উপায়কেই বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করা হচ্ছে৷ ব্রিটেনের মতো জার্মানিতেও অনেকে মনে করেন, মা-বাবা সজাগ থাকলে, পরিবার সতর্কভাবে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে সেটাই হবে সর্বোত্তম৷ জার্মানির ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল সোসাইটি বিষয়ক সংসদীয় কমিশনের সদস্য আলভার ফ্রয়ডে মনে করেন, ‘‘টিনএজ ছেলেমেয়েরা এমন বাধা পেলে অন্য উপায় বের করে ঠিকই (পর্নোগ্রাফি সাইটে) ঢুকে পড়বে৷'' তাই তাঁরও পরামর্শ, আইন বা নিয়মনীতি কঠোর করা হোক বা না হোক, প্রত্যেক শিশুর পরিবার আগে সজাগ, সচেতন হোক৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়