1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

জামায়াতের ভবিষ্যৎ নিয়ে পাঠকদের ভাবনা

জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীসহ চারজন নেতার ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর নেতৃত্বে যে আপাত শূন্যতা দেখা দিয়েছে এ পরিস্থিতিতে দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক পাঠক ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় নিজেদের ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন৷

‘‘নিশ্চয়ই তরুণরা হাল ধরতে পারবে, কিন্তু ‘জামায়াত' যে রাজনৈতিক চিন্তার দল তা তাঁরা বজায় রাখতে পারবে না৷'' এ কথা মনে করেন ডয়চে ভেলের পাঠক খান রাহাত রহমান৷

‘‘যে যাই বলুক, আবুল আলা মওদুদীর রাজনৈতিক দর্শনকে এই উপমহাদেশে সবচেয়ে সফলভাবে বাস্তবায়ন ও কাজে লাগান অধ্যাপক গোলাম আযম, তৈরি করতে সক্ষম হন সেই মওদুদীবাদ চিন্তার অনুসারী একদল ভাবশিষ্য এবং সেই কারণেরই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের সরাসরি বিরোধীতা করার পরেও এই দেশেই আবার জামায়াত নানা সময়ে ক্ষমতাধর, এমনকি এই বিরুদ্ধবাদী দেশের মন্ত্রিত্ব পর্যন্ত আয়ত্ব করতে সমর্থ হয়েছিল৷''

তবে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ হবে না বলেই মনে করেন পাঠক জলিল আহমেদ৷ জলিলের ধারণা, ‘‘রাজনৈতিক কারণেই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হবে না৷ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলে, দেশ বিরোধী, পাকিস্তানপন্থি, মৌলবাদী, জঙ্গিবাদীরা বিভিন্ন উপমা ও বিশেষণ লাগিয়ে, নিজেদের দুর্নীতি ও অপকর্ম ঢেকে রেখে নেতাকর্মীরা রাজনীতির মাঠ গরম করে বক্তৃতা দিতে পারবে না৷ তখন বক্তৃতার কোনো এজেন্ডাও থাকবে না, তাই জামায়াত নিষিদ্ধও হবে না৷''

আতিকুর রহমান মনে করেন, ‘‘শুধু চারজন কেন? চার হাজার জন জামায়াত নেতাকে হত্যা করলেও পরেরদিনই চার লক্ষ নেতা সামনে চলে আসবে৷''

জামায়াতে ইসলামের বহু অপকর্মের চার নায়ককে ফাঁসি দিলেও, জামায়াত শেষ হয়ে যায়নি৷ পাঠক কামাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘‘ জামায়াত শেষ হবে না, এমনকি নিষিদ্ধ করলেও না৷ বারুদ হয়ে জ্বলে উঠবে, সে শক্তি তাদের এখনও আছে৷ দেশের ভিতরে এবং বাইরে বিরাট কর্মীবাহিনী আছে তাদের, আছে ভোট ব্যাংক৷''

ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাঠক আল আমীন লিখেছেন, ‘‘আমি একজন ভারতীয় মুসলিম৷ আমরা ভারতে হিন্দুদের নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার৷ কিন্তু এরপরেও আমরা অধিকাংশ মুসলমানরা নিজেদের স্বকীয়তা ত্যাগ করিনি৷'' জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন