1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন মঙ্গলবার

মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা৷ মঙ্গলবার এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক৷

আব্দুর রাজ্জাক জানান যে, মঙ্গলবার তারা প্রধান প্রসিকিউটরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন৷ আর দাখিলের পর একটি সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন তারা৷

তিনি জানান, গত বছরের ১৮ই আগস্ট থেকে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু করা হয়৷ যাতে জামায়াতকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করতে সক্ষম হন তারা৷ জানা যায়, জামায়াতের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যা – এই চারটি অপরাধ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে৷

এছাড়া ঐ সময় জামায়াত কর্মীদের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত করা হয়৷

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘মঙ্গলবার চিফ প্রসিকিউটর তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে দেখবেন৷ প্রতিবেদনে যদি জামায়াতের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হবে৷ ট্রাইব্যুনাল শুনানি করে সন্তুষ্ট হলে অভিযোগ গঠন এবং বিচার কাজ শুরু করা হবে৷''

রানা দাসগুপ্ত বলেন, ‘‘ট্রাইব্যুনাল আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে যে মানবতাবিরোধী অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা ট্রাইব্যুনাল যেরকম শাস্তি দেয়া যৌক্তিক মনে করে, দিতে পারে৷ কিন্তু সংগঠনকে তো মৃত্যুদণ্ড দেয়া যায় না৷ তাই বিচারে জামায়াত দোষী প্রমাণিত হলে দলটি নিষিদ্ধ হতে পারে৷ দলের সব ধরণের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে৷''

গত বছরের ১লা আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট৷ তবে জামায়াত কিন্তু এখনো নিষিদ্ধ নয়৷ অবশ্য এর আগে তিনবার নিষিদ্ধ হয়েছিল জামায়াতে ইসলামী৷ ১৯৫৯ এবং ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হয় জামায়াত৷ এরপর বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয় ১৯৭২ সালে৷ জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালের ২৫শে মে বাংলাদেশে আবারো রাজনীতি করার সুযোগ পায় জামায়াতে ইসলামী৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়