1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে এখনই!''

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন নিয়ে সমঝোতায় আসতে বিএনপির প্রতি সম্প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন, তার জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার শর্ত দিয়েছেন৷ এ নিয়ে ফেসবুক এবং ব্লগে চলছে নানা আলোচনা৷

এদিকে, সামহয়্যার ইন ব্লগে মোরতাজা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি একটি আহ্বান জানিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘...মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার যে কথা আপনি দিনের পর দিন বলে আসছেন এবার তার বাস্তবায়ন করুন এবং সেটি অতি দ্রুততার সাথে৷ এটা করার জন্য আপনি ম্যানডেট পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন৷ সুতরাং এ কাজে আপনার দেরি, আপনার আন্তরিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে৷''

এ প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের উল্লেখ করে সে ব্যাপারে তাঁর নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন৷ জামায়াতকে নিষিদ্ধের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আদালতে মামলা আছে৷ তাই এখনই তাঁরা কোনো অ্যাকশনে যেতে পারছেন না৷ এ ব্যাপারে মোরতাজার প্রতিক্রিয়া এরকম, ‘‘আমরা প্রায় সবাই জানি আইন, আদালত এসব ক্ষমতার পদতলে লুটিয়ে পড়ে থাকে সবসময়, সারা বিশ্বজুড়ে... বাংলাদেশের আদালত তো স্বাধীন, কিন্তু পাখনাটা অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা৷ জুয়েল আইচের জাদুর মতন৷ পুরাই পাঙ্খা৷ সে যা-ই হোক, সরকার চাইবে আর হবে না, এমন সাধ্য কার! আদালতে এখন তো মানিক সাহেব, সিনহা বাবুরা আছেন৷ এরপরেও সরকারের সমস্যা হলে, এটাকে বলতে হবে দুর্ভাগ্য৷''

নির্বাচন নিয়ে ব্লগ আর ফেসবুকে আলোচনা এখনো চলছে৷ সামহয়্যার ইন ব্লগে কয়েছ আহমদ বকুল ‘ব্যর্থ সরকারের চেয়ে ব্যর্থ বিরোধী দল মারাত্মক' শিরোনামে একটি পোস্ট দিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘দশম জাতীয় সংসদে এক অর্থে কোনো বিরোধী দল নেই... একটি সরকার বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়, হতে পারে৷ কিন্তু বিরোধী দল ব্যর্থ হয় একটিমাত্র কারণে, আর তা হচ্ছে জনসাধারণের অসম্পৃক্ততা৷ সরকার ব্যর্থ হলে কোনো না কোনোভাবে ব্যর্থতার গ্লানি থেকে উত্তোরণ হওয়া যায়৷ কিন্তু ভুল পথে সরকার পরিচালিত হওয়ার প্রাক্কালে, বা সরকার দুর্নীতিগ্রস্থ হলে, অগণতান্ত্রিক বা জনবিরোধী কাজে সরকার লিপ্ত হওয়ার পর সরকারকে সঠিক পথে ফেরাতে বিরোধী দল ব্যর্থ হলে তা হয় খুবই দুঃখজনক ও মারাত্মক৷''

একই ব্লগে আব্দুল হালিম মিয়া বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দীন প্রামাণিককে নিয়ে তাঁর নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন৷ তিনি লিখেছেন ১৯৯০ সালে তৎকালীন নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ইমাজউদ্দীন প্রামানিকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল৷ পরিচয় পর্বের বর্ণনাটা তিনি দিয়েছেন এভাবে, ‘‘...আশেপাশের সবার সাথে পরিচয় পর্বের সময় শুরু হলো গল্প-গুজব৷ আমার পাশেই একজন কাঁচাপাকা চুল, কিছুটা জীর্ণ শীর্ণ মুখাবয়ব, হালকা পাতলা গড়নের এক ভদ্রলোক৷ নওগাঁর মান্দা উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন৷ আমাদের কার নির্বাচনে কত টাকা খরচ হয়েছে গল্প শুনে তিনি বললেন তাঁর নিজের কোনো টাকা পয়সা তো খরচ হয়ই নি, বরং তার পকেটে উল্টো চল্লিশ হাজার টাকা জমা পড়েছে৷ অর্থাৎ মান্দা উপজেলার জনগণ চাঁদা তুলে তার নির্বাচনি খরচ জুগিয়েছেন এবং সব খরচের পর আরো টাকা বেঁচে গিয়েছে৷''

ব্যক্তি ইমাজউদ্দীন প্রামাণিককে ব্লগার আব্দুল হালিম মিয়া উল্লেখ করেছেন এভাবে, ‘‘...একজন পোড় খাওয়া, মাটি কামড়ে পড়ে থাকা, যাকে বলে সত্যিকার তৃণমূলের নেতা, সততার আলোকে উজ্জ্বল একজন মানুষ৷''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়