1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

আলাপ

জামাত ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি

‘জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামো এতই মজবুত যে, কখনোই তাদের জনপ্রিয়তা কমবে না বরং বাড়বে...৷' ডয়চে ভেলের ফেসবুকে এই মন্তব্য একজন পাঠকের৷ এছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে-বিপক্ষেও নানা মন্তব্য জানিয়েছেন অনেক বন্ধু৷

জামায়াতে ইসলামী কোথায় টাকা পায় জানেন? এই প্রশ্ন পাঠক ইউসুফ মুজাহিদের৷ উত্তরটি অবশ্য তিনি নিজেই দিয়েছেন৷ তাঁর কথায়, ‘‘সারা দিন কাজ করে যদি ১০০ টাকা কামায়, তাহলে সেখান থেকে ১০ টাকা জামাতকে দিয়ে দেয় তাদের কর্মীরা৷ আর ইসলামী ব্যাংককে টাকা দেওয়া লাগে না৷''

‘মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হলেও জামায়াতে ইসলামী শেষ হয়ে যাবে না' – এমনটা করেন সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক ও টিভি টকশো'র সঞ্চালক গোলাম মোর্তোজা৷

ফেসবুকে মো. আশিক লিখেছেন, ‘‘সব অপরাধেরই বিচার একদিন না একদিন হয়৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘স্বাধীন দেশে ৪২ বছর পর যদি মিথ্যা সাক্ষী বানাইয়া যুদ্ধাপরাধী নামে বিরোধী রাজনীতির নেতাদের হত্যা করা হয়, ৫০ বছর পরে হইলেও একটা স্বাধীন দেশে গণহত্যার বিচার হবেই শেখ হাসিনা এবং তাঁর দুষ্ট সহযোগীদের৷''

‘‘আওয়ামী লীগ যদি ম‌নে ক‌রে যে, জামায়া‌তের ভোট তারা পা‌বে, ত‌বে ভুল৷ যত‌দিন জামায়াত ভিন্ন না‌মে না আস‌বে, ততদিন জামায়া‌তের ভোট বিএন‌পির বা‌ক্সে জমা হ‌বে৷'' – এ মন্তব্য মো. জাহাঙ্গীরের৷

তানভীর হোসেন মনে করেন, ‘‘যুদ্ধপরাধের বিচার শেষ হয়ে গেলে বিচার শুরু হবে পরবর্তী প্রজন্মের, তখন খুন হত্যা আর ধর্ষণের মামলায় বিচার হবে আওয়ামী লীগের৷ আমার জানা মতে খুন ও ধর্ষণে ছাত্র রাজনীতিকদের মধ্যে ছাত্রলীগ যতখানি এগিয়ে, তার খুব সামান্য অংশও শিবিরের মধ্যে নেই৷ তবুও বিভিন্ন বাহানায় তাদের হত্যা, জেল-জুলুম চলছে! আমার অনুরোধ, বিচারকে বিচারের জায়গায় নিয়ে সকলের জন্য সমান অধিকার দেওয়া হোক৷''

আমাদের বিশেষ পাতা ‘আলাপ'-এ ‘শাহবাগের চেতনা আজও প্রদীপ্ত কোটি বাঙালির হৃদয়ে' – এই নামে একটি ব্লগপোস্ট লিখেছেন ব্লগার মাহমুদুল হক মুন্সী৷ তাঁর লেখাটি পড়ে পাঠক বন্ধু নিতা ইমতিয়াজের বক্তব্যটি এরকম:

‘‘পুরো লেখাটি পড়ে বোকা বনে গেলাম৷ একই সঙ্গে মাহমুদুল হক মুন্সীকে ধন্যবাদ আমাকে এটি বুঝতে সাহায্য করার জন্য কিভাবে ইতিহাসের বিকৃতি ঘটাতে হয়৷ এতদিন ভাবতাম, বিএনপি কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি ঘটায়? আজ মুন্সী সাহেব হাতে-কলমে বিএনপির কাজটি দেখিয়ে দিলেন৷ ‘যে আমি ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে ‘ইভেন্ট' খুলে আন্দোলনের সূচনা করেছিলাম, সরে আসি সেই সন্তানকে ত্যাগ করে৷' – এই বাক্যটি পড়ে আমাকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ডয়চে ভেলের সম্পাদকীয় নীতিটি আসলে কী!....যাচাই-বাছাই না করে কিভাবে একটি প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় এবং দায়ত্বশীল গণমাধ্যম এ ধরনের মিথ্যাচারকে প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করে? আপনি কোন ইভেন্টটি খুলেছিলেন? ইতিহাস আপনি ভুলে গেলেও মাত্র তিন বছর আগের ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষ ভোলেনি৷ ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের আহবায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন বেলা ১২:১৭ মিনিটে৷ সেই স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশটটি আমার কাছে আছে, কিন্তু এখানে কমেন্ট অপশনে ছবি যোগ করা যায় না, তাই সেটি এখানে আপলোড করতে পারলাম না৷ একই দিনে রাজাকার কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায়ের প্রতিবাদে এবং সকল যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সকলকে শাহাবাগে আসার আহবান জানিয়ে একটি ইভেন্ট খোলা হয় ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের (বোয়ান) অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে৷ ২০১৩ সাল থেকে আজ অবধি কখনোই আপনি বোয়ান-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের অ্যাডমিন ছিলেন না, এ কথা আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি৷ আপনি ছিলেন, এই মর্মে কোনো প্রমাণ যদি আপনার কাছে থাকে, তবে তা দেবেন, না হলে ইতিহাস নিয়ে এমন নির্লজ্জ মিথ্যাচারের জন্য আরেকটি লেখা দিয়ে ক্ষমা চাইবেন৷''

ডয়চে ভেলের তরফ থেকে এটুকুই বলতে পারি, ‘আলাপ' কিন্তু আপনাদেরই পাতা৷ আপনারা প্রতি সপ্তাহে একটি ‘ট্যাবু' বিষয় নিয়ে এখানে আলোচনা করতে পারেন৷ বিষয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও করতে পারেন৷ লেখাটি ব্লগপোস্ট হলে, আশা করবো লেখক নিজে আপনাদের উত্তর দেবেন৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়