1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

জাপানি বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার ‘গান গাওয়া ইঁদুর’

পাখির মতো গান গাইতে পারে এমন ইঁদুর আবিষ্কার করেছেন জাপানের জীববিজ্ঞানীরা৷ মূলত রূপান্তর প্রক্রিয়ায় কীভাবে বিবর্তন ঘটে তা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই আকস্মিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে এই গান গাওয়া ইঁদুর৷

laboratory, rat, competition, University U.S, Olympic, Committee, Japan, Science, Biology, জাপান, বিজ্ঞানী, জাপানি, বিজ্ঞান, আবিষ্কার, গান, ইঁদুর, জীব, প্রাণী, বিশ্ববিদ্যালয়,

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই ইঁদুর থেকে হয়তো একটা ইঙ্গিত পাওয়া যাবে ভাষার মাধ্যমে মানুষের অভিব্যক্তি প্রকাশের রহস্যের৷ বিবর্তিত ইঁদুর প্রকল্পের কাজ করছিলেন জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা৷ বেশ কিছু ইঁদুরের দেহে জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে রূপান্তরের প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ এসময় একদিন লক্ষ্য করেন যে, একটি ইঁদুর গান গাইতে পারছে৷

গবেষক দলের প্রধান অ্যারিকানি উচিমুরা বলেন, ‘‘রূপান্তরই বিবর্তনের অন্যতম চালিকা শক্তি৷ তাই আমরা বেশ কিছু ইঁদুরের কয়েক প্রজন্মের উপর জিনগত রূপান্তরের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছিলাম৷ নবজাতক প্রত্যেকটি ইঁদুরকেই আমরা পরীক্ষা করে দেখছিলাম৷ হঠাৎ এদের মধ্যে একটিকে গান গাইতে শোনা গেল৷ এতে আমি বেশ আশ্চর্য হই৷ কারণ আমি আশা করেছিলাম তাদের দেহের আকৃতিতে কিছুটা ভিন্নতা৷ সেটিও ঘটেছে৷ যেমন এগুলোর মধ্যে একটি ইঁদুর ছানা ছোট ছোট হাত-পা এবং লম্বা লেজবিশিষ্ট কুকুরের আকৃতি পেয়েছে৷ কিন্তু একইসাথে পাখির মতো গান গাইতে পারা ইঁদুর ছানাও জন্ম নিয়েছে৷''

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের ঐ গবেষণাগারে এখন এই অদ্ভুত ধরণের গান গাইতে পারা ইঁদুর ছানা রয়েছে একশ'টিরও বেশি৷ বিজ্ঞানীরা এখন এদের উপর গবেষণা চালাতে চান মানুষের কথা বলতে পারার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের কথা বলতে পারার রহস্য খুঁজে পেতে অন্যান্য দেশে গবেষণা চালানো হচ্ছে গান গাওয়া পাখিদের উপর৷ তবে স্তন্যপায়ী প্রাণী ইঁদুরের সাথে মানুষের মিল বেশি থাকায় এসব ইঁদুর থেকে এই রহস্য উদ্ঘাটন সহজতর হবে৷ কারণ ইঁদুরের মস্তিষ্কের গঠন এবং অন্যান্য দৈহিক বৈশিষ্ট্যের সাথে মানুষের অনেক মিল রয়েছে৷

উচিমুরা বলেন, ‘‘এটা শুনতে খুব আশ্চর্য মনে হলেও আমি এখন স্বপ্ন দেখছি একদিন সত্যিকারের জীবন্ত ‘মিকি মাউস' বানিয়ে ফেলার৷''

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক