1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জাকারি জ্যাকসন লেভন ফারনিশ-জন’এর ভাগ্য

ছেলেটির জন্ম গত বড়দিনে, লস এঞ্জেলেসের একটি হাসপাতালে৷ তার মা’র নাম বলার উপায় নেই, কেননা তিনি অজ্ঞাতই থাকতে চান৷ তবে ছেলেটির বাবা, অথবা বাবারা, বিখ্যাত৷

default

এলটন জন’এর জীবনসঙ্গী ডেভিড ফার্নিশ

বাবা প্রখ্যাত ব্রিটিশ পপ গায়ক এলটন জন, যিনি আবার সমকামীও বটে৷ ৬৩ বছর বয়সী এলটনের জীবনসঙ্গী ডেভিড ফার্নিশ, তাঁর বয়স ৪৮৷ দু'জনেই তাঁদের শুক্র দান করেছিলেন, কাজেই জাকারির জৈবিক বাবা কে, তা সঠিক করে বলা যাবে না৷ তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাকারির সারোগেট বা প্রতিভূ মা'কে বলাই হয়নি, তিনি কার সন্তান ধারণ করতে চলেছেন৷ তবুও তিনি ধাঁচে-ধোচে ঠিকই জানতে পেরেছেন৷

এলটনের কাছে এই পিতৃত্ব একটা আশ্চর্য অভিজ্ঞতা৷ মার্কিন ইউএস উইকলি পত্রিকাকে বলেছেন, ‘‘সারা জীবনে কোনোদিন এ'রকম অনুভূতি হয়নি৷ আমি চমৎকৃত৷ কি বলতে পারি? এই অনুভূতি, এই আনন্দ, ওর শরীরের উষ্ণতা, ওর শ্বাসপ্রশ্বাস৷'' বহুবার গ্র্যামি জিতেছেন এলটন৷ ফ্রান্সে, লন্ডনে, হলিউডে বাড়ি আছে, ইংল্যান্ডে আছে যাকে বলে কিনা জমিদারবাড়ি৷ তবু ঘুরে-ফিরে যে অভিজ্ঞতাটির সামনে তাঁকে নিশ্চুপ হয়ে থাকতে হল, সেটি হল অতি সাধারণ, এবং অতীব অসাধারণ - সন্তানের জনক হওয়ার অভিজ্ঞতা৷

এলটন এবং ডেভিড তাঁদের সন্তানকে বিত্তে ভাসিয়ে তার মাথাটি খেতে চান না৷ তাঁরা চান জাকারি'কে তাঁদের জীবনের অভিজ্ঞতার, তাঁদের সঞ্চিত জ্ঞানের একাংশ দিতে৷ তাকে বুক ভরা ভালোবাসা দিতে৷ তাকে নিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখতে যেতে৷ সবচেয়ে বড় কথা: এলটন চান নিজের যখন বয়স বাড়ছে, তখন ভালোবাসবার মতো, দেখাশোনা করার মতো আরেকটা মানুষ, নিজের জীবন শেষ হওয়ার সময় যার জীবনটা শুরু হবে৷ সেটাই দেখে যেতে চান এলটন জন৷

এলটনের ১৭ বছরের সঙ্গী ফার্নিশ ছিলেন এককালে বিজ্ঞাপনের জগতের কর্মকর্তা৷ তিনি বলেছেন খেটে খাওয়া মানুষদের মূল্যবোধের কথা, যে মূল্যবোধে তিনি এবং এলটন বড় হয়েছেন৷ কাজেই জাকারি শিখবে শৃঙ্খলা এবং সুশীল আচরণ৷

আর আমরা শিখব যে, মানুষের জীবনে চাওয়া-পাওয়ায় বিশেষ তফাৎ কিছুই নেই, আপাতদৃষ্টিতে আমরা যতোটাই পৃথক হই না কেন৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়