1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

জাকাত, ফিতরার অর্থ জঙ্গিদের পকেটে?

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি ওয়েবসাইটে এমন কথাই বলা হয়েছে৷ রোজার সময় দেয়া ফিতরা, জাকাত ও সদকার অর্থের একটা অংশ নাকি পাচ্ছে জঙ্গি আর সন্ত্রাসীরা৷

‘হক হাকদার তাক' ওয়েবসাইট বলছে, ‘‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটা সত্য যে, যে সব দাতব্য সংস্থা জাকাত, ফিতরা ও সদকার টাকা সংগ্রহ করে তাদের কয়েকটির সঙ্গে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের সম্পর্ক রয়েছে৷''

জাকাত ও সদকা থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২০০ বিলিয়ন রুপি অর্থ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে হক হাকদার তাক৷ এর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই আসে রোজার সময়৷

তবে জামাত-উদ-দাওয়া ও আল-রহমত ট্রাস্ট নামে দুটি দাতব্য সংস্থার মুখপাত্র বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছে, সংগৃহীত অর্থ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হয়৷

জামাত-উদ-দাওয়া, যার সঙ্গে ২০০৭ সালে মুম্বইয়ে হামলা চালানো গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, সেই গোষ্ঠীর সালমান শহিদ ডিপিএকে বলেছেন, ‘‘আমরা গরিবদের জন্য স্কুল ও হাসপাতাল চালাই৷ গত বছর আমরা প্রায় দেড়শো কোটি রুপি খরচ করেছি৷ আমরা সারা বছরই অর্থ সংগ্রহ করি, তবে রোজার মাসটা বিশেষ সময়৷''

আল-রহমত ট্রাস্টের মাওলানা ইমদাদুল'ও কোনোরকম জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার করা অস্বীকার করেছে৷ অথচ তাদের সঙ্গে কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠী জয়শ-ই-মোহাম্মদের সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে৷

এদিকে জাকাত, ফিতরা কিংবা সদকার অর্থ দেয়ার ক্ষেত্রে মানুষ যেন সচেতন হয় সে জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে পাকিস্তানের সরকার৷ রাজধানী ইসলামাবাদে টাঙানো একটি ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘‘কোনো সংস্থা সম্পর্কে পুরোপুরি জানার পর অর্থ দান করুন৷ না হলে আপনার অর্থ রাষ্ট্রবিরোধী কাজে ব্যবহৃত হতে পারে৷''

তবে ‘সাস্টেনেবল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ইনস্টিটিউট’-এর আবিদ সুলেরি বলছেন, সরকারের উচিত এমন প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা প্রকাশ করা যারা সত্যিকার অর্থে কল্যাণমূলক কাজ করছে৷ তাহলে হয়ত জনগণের সুবিধা হবে৷

জেডএইচ / এসবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন