1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

জলে চলা মার্সিডিজ

‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন' নামের একটি ব্রিটিশ কোম্পানি জার্মান মার্সিডিজ কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতায় এমন একটি বোট তৈরি করেছে, যা দেখলে আর চড়লে মনে হবে যেন মার্সিডিজ ক্যাব্রিও চড়ছেন!

মার্সিডিজ সিলভার অ্যারো৷ না, গাড়ি নয়, বোট; চলে পানিতে৷ আইডিয়াটা এসেছে কিন্তু ‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন' নামের একটি ব্রিটিশ কোম্পানির মাথায়, যারা ইয়ট তৈরিতে স্পেশালিস্ট৷ মার্সিডিজ তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে৷ এই ইয়টে চড়লে নাকি মার্সিডিজ ক্যাব্রিও চড়ার মতো ফিলিং হবে৷

‘সিলভার অ্যারোজ মেরিন'-এর সিইও জাকোপো স্পাদোলিনি বলেন, ‘‘এটা গাড়ির মতো হতে পারে না, কেননা সাগর তো আর রাস্তা নয়; পটভূমি সব সময়ে বদলে যাচ্ছে৷ কিন্তু সত্যিই আপনার মনে হবে যেন আপনি দিব্যি আরামে গাড়ি চালাচ্ছেন৷''

মার্সিডিজ এস-ক্লাসের ক্যাব্রিও মডেলটির অনুকরণে এই ইয়টটি বানানো হয়েছে৷ বোটে চড়ে ক্যাব্রিও-তে চড়ার অনুভূতি – এটাই ছিল ডিজাইনের প্রেরণা৷ গর্ডেন ভাগেনার এই ডিজাইনের স্রষ্টা৷ ২০০৮ সাল থেকে তিনি মার্সিডিজ গাড়ির মডেলগুলোর ডিজাইনের দায়িত্বে৷ ভাগেনার বলেন, ‘‘বোটটা জলের ওপর অন্য যে সব বোট চলাফেরা করছে, তাদের থেকে দেখতে এতোটা আলাদা, কেননা এখানে গাড়ির ডিজাইনের ধরণটা বোটের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে৷ বোটটাকে দেখতে ‘কুল' হতে হবে৷ ‘কুল' বলতে লোকে বোঝায় – এ-রকম আমি আগে কখনো দেখিনি৷ তার অন্য দিকটা হলো ‘হট', মানে দারুণ বা সেক্সি৷''

গাড়ি তৈরির কোম্পানি যে বোট তৈরি করবে, সেটা নতুন কিছু নয়৷ বহুদিন আগে থেকেই পোর্শে, অ্যাস্টন মার্টিন, ফেরারি বা বুগাত্তির মতো কোম্পানি ছোটবড় বোট তৈরি করে আসছে৷ আইডিয়াটা হল, ভূমধ্যসাগরের উপকূলে যে সব বিত্তবানরা ইয়ট নিয়ে ঘোরেন, তাদের গাড়ি কেনাতেও আগ্রহী করে তোলা৷ যারা একটা ইয়ট কেনার জন্য ২৫ লাখ ইউরো খরচা করতে পারেন, তাদের গাড়ি কেনাতে পারলেই বা খারাপ কি, বিশেষ করে গাড়ি বেচাই যখন এই সব কোম্পানির আসল ব্যবসা? 

গেয়ারহার্ড সনলাইটনার/এসি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক