1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জলবায়ু রক্ষায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা

উগান্ডার শীর্ষস্থানীয় মুসলিম নেতা মুফতি শাবান মুবাজ্জে প্রতি সপ্তাহে তাঁর বয়ানে অনুসারীদের পরিবেশ সংরক্ষণের পরামর্শ দেন৷ খ্রিষ্টান ধর্মের এক বিশপ বিয়ে পড়ানোর আগে দম্পতিদের গাছ লাগানোর আহ্বান জানান৷

এভাবেই ধর্মীয় নেতারা জলবায়ু রক্ষায় কাজ করছেন৷ এক হিসেব বলছে, বিশ্বের ৮০ ভাগেরও বেশি মানুষ নিজেদের ধর্মপ্রাণ মনে করেন এবং তাঁরা জীবনযাপনে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ গ্রহণ করে থাকেন৷ ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন ধর্মের নেতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷

মার্কিন নৃতাত্ত্বিক জেমস পিপলস ও গ্যারিক বালে-র লেখা একটি বইতে বলা হয়েছে, ‘‘তাঁরা (ধর্মীয় নেতারা) বিশ্ব সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে প্রভাবিত করেন, তাদের জীবনযাপনের পথ বলে দেন৷'' বিয়ে, জন্ম, মৃত্যু, দ্বন্দ্বের সময় কী করা উচিত সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন ধর্মীয় নেতারা৷

EIn Baum wird gepflanzt

ফলে অনুসারীদের উপর বিশেষ প্রভাব থাকে তাঁদের৷ এটাকে কাজে লাগিয়ে অনেক ধর্মীয় নেতাই আজকাল অনুসারীদের ‘জলবায়ু যোদ্ধা' হতে উৎসাহ দিচ্ছেন৷

২০০৯ সালে সারা বিশ্বের প্রায় ৩০টির মতো ধর্মীয় গোষ্ঠী ‘অনেক স্বর্গ, একটাই পৃথিবী' শীর্ষক একটি সম্মেলনে অংশ নিয়েছিল৷ সেখানে পরিবেশ রক্ষায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয়েছিল৷ যেমন বায়ু দূষণ কমাতে চীনের বৌদ্ধ ও ‘তাওয়িজম' ধর্মের নেতারা মানুষপ্রতি আগরবাতি জ্বালানোর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়ার কথা বলেন৷ অন্যদিকে, খ্রিষ্টান ও শিখ সম্প্রদায়ের নেতারা তাঁদের উপাসনালয়ের ছাদে বেশি করে সৌর প্যানেল বসানোর ঘোষণা দেন৷

এরপর ২০১০ সালে আফ্রিকার বিভিন্ন ধর্মের নেতারা একটি চুক্তিতে সই করেন৷ এর আওতায় তাঁরা বয়ানে নিয়মিতভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরার অঙ্গীকার করেন৷ এছাড়া ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ক নিয়ে যা বলা আছে তা উল্লেখ করার অঙ্গীকারও করেন ধর্মীয় নেতারা৷ অনুসারীদের পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের পরামর্শ দেয়ার লক্ষ্যও নির্ধারিত হয়েছিল চুক্তিতে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন