1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জলবায়ু আলোচনার ‘বার্লিন প্রাচীর' এখনো আছে

মূল বার্লিন প্রাচীর ভেঙে পড়েছিল ১৯৮৯ সালে৷ তার তিন বছর পর ১৯৯২ সালে আরেকটি প্রাচীর গড়ে ওঠে৷ সেটা ধনী আর গরিব দেশগুলোর মধ্যে৷ তখন বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমন কমানোর দায়িত্ব শুধু ধনী দেশগুলোর৷

১৯৯২ সালে জলবায়ু বিষয়ক একটি সম্মেলনে ধনী ও গরিব দেশগুলোর মধ্যে এধরনের একটি বিভাজন করা হয়৷ তারপর থেকে কেটে গেছে ২২ বছর৷ এর মধ্যে সে সময়কার ‘গরিব' দেশ মেক্সিকো আর সিঙ্গাপুরের অনেক উন্নতি হলেও জলবায়ু আলোচনায় এখনো তারা ‘গরিব'৷

পেরুর লিমাতে এখন চলছে জলবায়ু আলোচনা৷ শুক্রবার শেষ দিন৷ ১৯২টি দেশের কর্মকর্তারা গত ১১ দিন ধরে আলোচনা করে যাচ্ছেন৷ তাদের মূল লক্ষ্য আগামী বছরের শেষে প্যারিসে যে সম্মেলন হবে সেখানে একটি চুক্তি পাওয়ার আশায় খসড়া তৈরি করা৷ কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে ‘বার্লিন প্রাচীর'৷ কারণ ধনী দেশরা বলছে কার্বন নির্গমন কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, ‘‘এটা (কার্বন নির্গমন কমানো) সবার দায়িত্ব৷ কারণ সম্মিলিতভাবে যে কার্বন নির্গত হয় সেটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর৷ কোনো একটি বিশেষ দেশ থেকে যেটা নির্গত হয়, শুধু সেটা নয়৷''

তিনি সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘‘আমরা যদি এখন কিছু করতে ব্যর্থ হই তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না৷''

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত টড স্টার্ন জলবায়ু বিষয়ক আলোচনায় যে ‘বার্লিন প্রাচীর' রয়েছে সে নিয়ে আগেও কথা বলেছেন৷ এবার তিনি বললেন, ‘‘১৯৯২ সালে যে বিভাজন করা হয়েছিল সেটা রাজনৈতিকভাবে ‘সমর্থনযোগ্য নয়'৷ কেননা তখন থেকে বিশ্ব অর্থনীতি এখন অনেক বদলেছে৷''

জাতিসংঘের সাবেক জলবায়ু বিষয়ক প্রধান ইভো ডে বোয়ার বলেন, ‘‘আলোচনার সময় বিভাজনের বিষয়টি প্রথম দেখা দেয় ২০০৭ সালে৷''

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়