1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

জন্মান্ধদের আলো দেখাচ্ছেন জার্মান চিকিৎসকরা

জার্মান ডাক্তাররা জন্মান্ধদের দেখতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সাফল্যের কথা ঘোষণা করেছেন৷ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের চোখের রেটিনায় একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে৷

default

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করছেন জার্মান চিকিৎসকরা (ফাইল ফটো)

রেটিনায় একটি ডিভাইস লাগিয়ে দেওয়ার ফলে, যারা জন্মান্ধ, তারাও কিছুটা হলেও দেখতে পাচ্ছেন৷ তিন জন রোগীর চোখে নতুন এই ডিভাইস বসিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ তারা বস্তুর আকার এবং বস্তুটি দেখতে পাচ্ছেন৷ তাদের মধ্যে একজন ঘরের মধ্যে একাই হাঁটতে সমর্থ হয়েছেন৷ লোকজনের কাছে গিয়ে কথা বলতে পেরেছেন, দেখতে পেয়েছেন ঘড়িতে কটা বাজে এবং সাতটি শেডের মধ্যে পার্থক্যও করতে পেরেছেন৷

ব্রিটেনের বিজ্ঞান একাডেমি, রয়্যাল সোসাইটি বলছে, তাদের একটি জার্নালে সংশ্লিষ্ট গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে৷ বলা হয়েছে, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের দেখতে সহায়তা করার জন্যে এই ইলেকট্রনিক ডিভাইস এক অভূতপূর্ব অগ্রগতির সূচক৷

রেটিনিটিস পিগমেনটোসার কারণে বিশ্বে যারা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, সেইরকম দুই লক্ষাধিক মানুষের জীবনে এই ব্যবস্থা বিপ্লব ঘটাতে পারে৷ রেটিনিটিস পিগমেনটোসা এমন একটি রোগ, যার কারণে অক্ষিগোলকের পেছনে রেটিনার আলো গ্রহণের ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়৷

এই ইলেক্ট্রনিক ইমপ্ল্যান্ট ব্যবস্থারর প্রবর্তক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গত সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে রেটিনার সঙ্গে এটি লাগিয়ে দিচ্ছেন৷ যার সঙ্গে বাইরের দিকে একটি ছোট ক্যামেরার সংযোগ থাকে৷ চশমার কাঁচের ওপরে লাগানো থাকে এই ক্যামেরা৷ এই ক্যামেরা আলো সংগ্রহ করছে এবং বৈদ্যুতিক সিগন্যালের আদলে, প্রসেসর ইউনিটের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিচ্ছে ডিভাইসে৷ ডিভাইসটি ড্যাটাগুলো পাঠিয়ে দিচ্ছে চোখের নার্ভের কাছে৷ আর এই নার্ভ আইবলের মাধ্যমে সংকেত পাঠাচ্ছে মস্তিষ্কে৷

নতুন এই ডিভাইসটি আরো একধাপ এগিয়ে আলো সংগ্রহ করছে এবং যা প্রাকৃতিকভাবেই আই লেন্সের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে৷ চোখের নার্ভের মাধ্যমে ব্রেন যা গ্রহণ করছে, তা কেবলমাত্র একটি ছোট্ট ছবি ৩৮ বাই ৪০ পিক্সেল মাত্রার৷

জার্মানির ট্যুবিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট ফর অপথালমিক রিসার্চ'এর সহযোগিতায় এই ইলেকট্রনিক দৃষ্টিদানকারী ডিভাইসটির উন্নয়ন ঘটিয়েছে জার্মান কোম্পানি, রেটিনাল ইমপ্ল্যান্ট৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক