1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

‘জঙ্গি' ধরিয়ে দিলো তিন সিরীয় যুবক

২২ বছর বয়সি সিরীয় উদ্বাস্তু জাবেরের দৃশ্যত বার্লিনের কোনো বিমানবন্দরে আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করছিল৷ কেমনিৎস থেকে পালানোর দু'দিন পরে তিন সিরীয় যুবকের সহায়তায় তাকে লাইপজিগে গ্রেপ্তার করা হয়৷

গোয়েন্দা পুলিশের কাছে খবর ছিল যে, জাবের জার্মানিতে কোনো ট্রেনের উপর আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করছে৷ গোড়া থেকেই জাবেরের উপর নজর রাখা হচ্ছিল৷ শেষমেশ গত শুক্রবার জাবেরের বাসায় হানা দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কেননা ইতিপূর্বে জাবেরকে একটি এক-ইউরো বিপণীতে গঁদ  কিনতে  দেখা গিয়েছিল৷ গোয়েন্দা বিভাগ ধরে নেয়, এটাই তার বোমা তৈরির শেষ উপাদান৷

কেমনিৎসে পুলিশ হানা দেবার সময় জাবের পালাতে সমর্থ হয়, যদিও তার ফ্ল্যাটে টিএনটি'র চেয়েও বেশি বিস্ফোরক একটি পদার্থ পাওয়া যায় প্রায় দেড় কিলোগ্রাম পরিমাণ৷ পুলিশ নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেই পদার্থ বিনষ্ট করে৷ অপরদিকে পলাতক জাবেরের খোঁজ চলে৷ জাবেরের ফ্ল্যাটে হানার প্রায় দু'দিন পরে রবিবার রাত একটায় লাইপজিগের একটি ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ জাবেরকে গ্রেপ্তার করে৷

স্যাক্সনির তিন সিরিয়ান হিরো

এই গ্রেপ্তারের বিশেষত্ব হলো, তা সিরীয় প্রতিবেশীদের উদ্যোগেই সম্ভব হয়েছে৷ দৃশ্যত জাবের লাইপজিগে রাত কাটানোর জায়গার খোঁজ করছিল৷ তখন এই তিনজন সিরীয় তাকে বাড়িতে নিয়ে যান৷ পরে সংশ্লিষ্ট সিরীয় ও তার দুই সঙ্গী উপলব্ধি করেন, কে তাঁদের অতিথি৷ তখন তাঁরা পুলিশকে ফোন করেন৷ পুলিশ তাদের বক্তব্য বুঝতে না পারলে, তারা জাবেরকে বেঁধে ফেলে তার ছবি তোলেন৷ একজন সিরীয় সেই ছবি নিয়ে পুলিশের কাছে যান, অন্য দু'জন তাকে পাহারা দেন৷ তারপর আসে পুলিশের ভ্যান আর মাথার উপর চক্কর দিতে থাকে হেলিকপ্টার৷ পুলিশ এসে দেখে, জাবেরকে ডাকঘরের প্যাকেটের মতো বেঁধে রাখা হয়েছে, শুধু তুলে নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা৷

পাড়ার জার্মান ছেলেরা এখন তাদের সিরীয় প্রতিবেশীদের নিয়ে গর্বিত৷ প্রশংসা এসেছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের কাছ থেকেও৷ অপরদিকে পুলিশ এই গ্রেপ্তারকার্য সম্পর্কে যথাসম্ভব কম খুঁটিনাটি প্রকাশ করছে, যাতে সংশ্লিষ্ট সিরীয়দের কোনো বিপদ না ঘটে৷

প্যারিস কিংবা ব্রাসেলসের মতো আক্রমণ?

কেমনিৎসে জাবেরের বাসায় যে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে, তা প্রায় ব্যবহারের উপযোগীই ছিল বলে জানিয়েছেন স্যাক্সনি রাজ্যের পুলিশ প্রধান ইয়র্গ মিশায়েলিস৷ এমন বিস্ফোরক প্যারিস ও ব্রাসেলসের অনুরূপ কোনো আক্রমণের জন্যই সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে ধারনা করা হচ্ছে৷ স্বয়ং জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়েরও এমনটিই বলেছেন৷

এসি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি, এপি)

 

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়